1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ির ২টি বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন শেষে আর্থিক অনুদান ও গাছের চারা উপহার প্রদান করেছেন মহালছড়ি জোন অধিনায়ক মহালছড়ি ধুমনীঘাটে দুই শতাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করল মহালছড়ি সেনা জোন মহালছড়িতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা-২০২৬-২৭ (সিজন-২) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে চোংড়াছড়ি শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন জোন অধিনায়ক সংসদ ভবন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ সীমান্তের ওপার থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী জানা গেল এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের তারিখ আর্জেন্টিনার রেকর্ড ভাঙল ব্রাজিল, এক ম্যাচে ৫৩ জনকে লাল কার্ড নগরকান্দায় দুই ব্যবসায়ীকে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত মহালছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

শেখ জুয়েলের বিবর্তিত নাম বিধান মল্লিক

  • শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫
  • ১৫৬ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ কেবল পালিয়েই ক্ষান্ত হয়নি। একেবারে নাম নিয়েছে ভিন্ন ধর্মের। পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ সালাহউদ্দিন ওরফে শেখ জুয়েল এখন বিধান মল্লিক। ভারতীয় আধার কার্ডে তিনি বনে গেছেন বিধান মল্লিক হিসেবে। তার বাবার নাম শেখ আবু নাছের হলেও নতুন পরিচয়ে বাবা এখন মুদিন্দ্রনাথ মল্লিক। নতুন পরিচয়ে চষে বেড়াচ্ছেন ভারতের এপাশ থেকে ওপাশ। বাংলাদেশের সাবেক প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের ভাতিজার এমন কাণ্ডে রীতিমতো কপালে চোখ উঠেছে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের। রীতিমতো বিব্রতবোধ করছে দেশের সচেতন মহল। বলছে, শেখ পরিবারের এমন প্রভাবশালী সদস্যের এমন কাজ করাটা কোনোভাবেই মানায়নি। তবে শুধু শেখ জুয়েল নন। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দেশের অন্যতম প্রভাবশালী শেখ পরিবারের অনেক সদস্যই বর্তমানে ভারতীয় আধার কার্ড গ্রহণ করেছেন। শেখ জুয়েলের ভারতীয় আধার কার্ডের একটি কপি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ প্রতিদিনের কাছে এসে পৌঁছেছে। ২০১৮ সালে খুলনা-২ সংসদীয় আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সেখ সালাহউদ্দিন। ২০২৪ সালেও তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। কাগজপত্রে তিনি সেখ সালাহউদ্দিন হলেও সর্বত্র তিনি সেখ জুয়েল নামেই বেশি পরিচিত। গত ৫ আগস্টে গণ অভ্যুত্থানে হাসিনা সরকার পতনের পরপরই সেখ জুয়েলসহ শেখ পরিবারের প্রায় সবাই ভারতে আশ্রয় নেন। এর আগে শেখ পরিবারের অনেকেই ৬২৬ জনের মধ্যে ছিলেন সেনাবাহিনীর হেফাজতে।

জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে সময় সুযোগমতো ক্যান্টনমেন্টের নিরাপত্তা হেফাজত থেকে বের হয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। শেখ জুয়েলের মতো শেখ পরিবারের অনেক সদস্যই ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন বিশেষ প্রক্রিয়ায়। আধার কার্ডে শুধু নিজের নাম নয়, পাল্টে ফেলেছেন বাবার নামও। ওই কার্ড দিয়ে তারা ভারতে চলাফেরা করে আসছেন স্বাধীনভাবে। আবার ভারতে আশ্রয় নেওয়া অনেককে আবার ট্রাভেল কার্ডও দেওয়া হয়েছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews