1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ির ২টি বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন শেষে আর্থিক অনুদান ও গাছের চারা উপহার প্রদান করেছেন মহালছড়ি জোন অধিনায়ক মহালছড়ি ধুমনীঘাটে দুই শতাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করল মহালছড়ি সেনা জোন মহালছড়িতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা-২০২৬-২৭ (সিজন-২) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে চোংড়াছড়ি শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন জোন অধিনায়ক সংসদ ভবন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ সীমান্তের ওপার থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী জানা গেল এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের তারিখ আর্জেন্টিনার রেকর্ড ভাঙল ব্রাজিল, এক ম্যাচে ৫৩ জনকে লাল কার্ড নগরকান্দায় দুই ব্যবসায়ীকে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত মহালছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

পেশাজীবী পরিষদের শ্রদ্ধা শহীদ ডা. মিলনের সমাধিতে

  • বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৩৯১ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে ২৭ নভেম্বর, বুধবার বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে ডা. শামসুল আলম খান মিলনের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন এবং শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করে। এসময় বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহবায়ক প্রফেসর ডা: এজেডএম জাহিদ হোসেন, সদস্য সচিব কাদের গনি চৌধুরী, প্রফেসর ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, প্রফেসর ডা. হারুন আল রশিদ, ডা. আবদুস সালাম, ডা. রফিকুল ইসলাম, ডা. রফিকুল ইসলাম লাবু, ইঞ্জিনিয়ার সাখাওয়াত হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার ফখরুল আলম, বিপ্লবুজ্জামান বিপ্লব, হাফিজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

১৯৯০ সালের এই দিনে এইচ এম এরশাদের স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলনের উত্তাল মুহূর্তে আন্দোলনের সংগঠক ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম-মহাসচিব ডা. শামসুল আলম খান মিলন সরকারের লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসীদের গুলিতে শহীদ হয়েছিলেন। মিলনের আত্মদানের মধ্যদিয়ে সেদিনের স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চারিত হয়। অবশেষে ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এইচ এম এরশাদের স্বৈরশাসনের পতন ঘটে। সেই থেকে প্রতি বছর ২৭ নভেম্বর শহিদ ডা. মিলন দিবস পালন করা হচ্ছে। মিলন চত্বরে সাংবাদিক সাংবাদিকদের প্রফেসর ডা: এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও স্বৈরাচারী এরশাদের একই নীতির লোক ছিলেন। উভয়ই রক্তপাতের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ বীরের জাতি। তারা জীবন দিয়ে এদেশ ও দেশের গণতন্ত্রকে বার বার রক্ষা করেছে। তিনি বলেন, আজকের এই দিনে আমরা হত্যা, গুম-নির্যাতনমুক্ত একটা মানবিক বাংলাদেশ চাই। যেখানে ভয়-ভীতি থাকবে না। থাকবে সমতা ভিত্তিক ন্যায়বিচার। গড়ে উঠবে ‘মানবিক বাংলাদেশ। যা বিএনপির ৩১ দফার মধ্যে পরিস্ফুট হয়েছে।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, আমরা বাংলাদেশের মাটিতে আর কোনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিস্টকে চাই। ফ্যাসিবাদী রাজনীতি চিরতরে নির্মূল করতে হবে। সকল গুম ও খুনের বিচার করতে হবে। এমন একটি দেশ গড়তে হবে যেখানে ভয়-ভীতি থাকবে না। সবার ভয়েস শোনা হবে। ছেলে-মেয়েদের দেশ ত্যাগের তাড়না থাকবে না। থাকবে না কোন গর্বের দেশ হবে। যাদের হাতে এখনও রক্ত লেগে আছে তাদের বিচার আগে হতে হবে-উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিশু ও গোহত্যাকারীদের দেশে আনতে হবে, তাদের বিচার করতে হবে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews