একতা ডেস্কঃ কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে কৃষকদের অবসরকালসহ আরও অনেক বিষয় ও শ্রেণিপেশার মানুষের কথা বিবেচনায় রেখে জাতীয় নির্বাচনের সময়কাল নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। বছরের কোন সময়ে নির্বাচন করলে ভোটারদের অবাধ ও স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি থাকতে পারে, সেটিও মাথায় রাখা হয়। সব মিলিয়ে ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসকেই জাতীয় নির্বাচনের উপযুক্ত সময় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নির্বাচন কমিশনও (ইসি) সাধারণত ডিসেম্বর-জানুয়ারিকে উপযুক্ত সময় বিবেচনা করে তফসিল ঘোষণা করে থাকে। অবশ্য বছরের অন্য সময়েও নির্বাচন অনুষ্ঠানের রেকর্ড রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদ ভেঙে যাওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতাও থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্ষেত্রে সংবিধানের এই বাধ্যবাধকতার বিষয়টি এখন আর গণ্য নয়।
আবহাওয়াঃ মার্চ-এপ্রিল-মে মাস হচ্ছে প্রাক মৌসুম। এই সময়টাতে দেশে বজ্রপাত, ঝড়ের প্রবণতা বেড়ে যায়। এরপর জুন-জুলাই-আগস্ট-সেপ্টেম্বরে বৃষ্টির প্রবণতা বেড়ে যায়। তাছাড়া এ সময় দেশের অনেক অঞ্চল বন্যায় তলিয়ে যেতে দেখা যায়। আবহাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এদেশে ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে। সাধারণত নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে ধানকাটার কাজ শেষ হয়ে কৃষিকাজে সম্পৃক্ত জনগোষ্ঠী কিছু দিনের অবসর পান। যেহেতু এটি কৃষিপ্রধান দেশ এবং জাতীয় নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির একটা বিষয় থাকে তাই ডিসেম্বর-জানুয়ারিকে নির্বাচনের উপযুক্ত সময় বলে মনে করা হয়।

Leave a Reply