
একতা প্রতিবেদকঃ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অতীতে দেশ ও জাতির সকল আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে। ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার ছিল এবং থাকবে। আমাদের কর্মীরা হিন্দু মন্দির রক্ষা, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন ইস্যুতে ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রাখা এবং ৫ আগস্টের পর সড়কে যান চলাচলে কাজ করার জন্য বিশ্বব্যাপী সুনাম অর্জন করেছে। জুলাই-আগস্টের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শুরু থেকেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও সহযোগী সংগঠনগুলো বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। এতে সংগঠনের ১৮ জন কর্মী শহীদ এবং ২ হাজার কর্মী আহত হয়েছেন যারা এখনও চিকিৎসাধীন।
শনিবার সকালে বিএইচপি একাডেমি মাঠে আগরঝাড়ায় পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ নয়টি দাবিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পীর সাহেব চরমোনাই এসব কথা বলেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগৈলঝাড়া উপজেলা সভাপতি মো. রাসেল সরদার মেহেদীর সভাপতিত্বে ও সহ-সভাপতি মাওলানা আবু ইসহাক আশরাফীর সঞ্চালনায় গণসভায় বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক উপ-প্রধান মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, বরিশাল জেলা যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা আবুল খায়ের, হাফিজ মাওলানা মো. সানাউল্লাহ, মুফতি হাসান মাহমুদ, মো. নাসির উদ্দিন শাহ, মাওলানা আবদুল্লাহ ভাট্টি, শাহীন বখতিয়ার, হাফিজ আবদুল্লাহ ভাট্টি প্রমুখ।
স্বৈরাচার পতনের পর গত ৫ আগস্ট ইসলামী আন্দোলনের আমীর পীর সাহেব চরমোনাই দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেশ সংস্কারে ৯ দফা দাবি পেশ করেন। দাবি আদায়ে সব জেলা, মহানগর ও উপজেলা পর্যায়ে গণসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। তার বক্তব্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানান এবং পিআর পদ্ধতিতে ঘোষিত ৯টি দাবি।

Leave a Reply