1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের অন্তর্গত বাঘাইছড়ি উপজেলার ৫৭ জন রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ মহালছড়িতে অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত! সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী মাসালং এ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় ইউপিডিএফ এর বাধা! জনগণের কল্যাণে সবার সহযোগিতা কাম্য শালিখায় গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে কর্মশালা মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের কৃষি বিষয়ে আগ্রহ ও বজ্রপাত সচেতনতায় আলোচনা সভা নগরকান্দায় পুড়াপারা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির পদত্যাগ

মাশরুম চাষে বদলেছে বড় খড়ী গ্রামের অনেকের ভাগ্য

  • বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৫২ গননা করুন

মোঃ শহিদুজ্জামান চাঁদঃ মাগুরা সদর উপজেলার মঘী ইউনিয়নের বড় খড়ী গ্রাম। একসময় যেখানে নারীদের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ছিল সীমিত, আজ সেই গ্রামই হয়ে উঠেছে গ্রামীণ উদ্যোক্তা উন্নয়নের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছেন তরুণ উদ্যোক্তা মহাইমিন আলম, যিনি মাশরুম চাষকে ঘিরে গড়ে তুলেছেন কর্মসংস্থানভিত্তিক একটি সফল উদ্যোগ।

অল্প পুঁজি নিয়ে নিজের বাড়ির একটি একটি। ছোট ঘর থেকে যাত্রা শুরু করেন মহাইমিন। শুরুতে অভিজ্ঞতার অভাব, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা ও বাজারজাতকরণের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হলেও ধীরে ধীরে তিনি গড়ে তোলেন একটি আধুনিক মাশরুম উৎপাদন ও সংগ্রহকেন্দ্র। বর্তমানে এটি শুধু একটি খামার নয়, বরং গ্রামীণ অর্থনীতির গতিশীলতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

এই কেন্দ্রকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা নেটওয়ার্ক। বড় খড়ীসহ আশপাশের এলাকার শতাধিক নারী এতে যুক্ত হয়েছেন। তারা ঘরে বসেই মাশরুম উৎপাদন করেন এবং উৎপাদিত পণ্য কেন্দ্রের মাধ্যমে বিক্রি করে নিশ্চিত বাজার পান। ফলে তাদের আয় বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক মর্যাদা।

উদ্যোগটির সাথে যুক্ত নাসিমা খাতুন বলেন, আগে সংসারে অনেক কষ্ট ছিল, নিজের কোনো আয় রোজগার ছিল না। এখন নিয়মিত আয় করছি, সংসারে অবদান রাখতে পারছি। ফাতেমা আক্তার জানান, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ পেয়েছি। এখন নিজেরাই উৎপাদন ও বিক্রি করতে পারছি। সুচিত্র বসুর ভাষ্য, এই উদ্যোগ আমাদের জীবনে আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। এখন আমরা কারো ওপর নির্ভরশীল নই।

তরুণ উদ্যোক্তা মহাইমিন আলম বলেন, ‘আমার লক্ষ্য শুধু ব্যবসা নয়, একটি টেকসই কর্মসংস্থান ব্যবস্থা তৈরি করা। বিশেষ করে নারীরা ঘরে বসেই আয় করতে পারলে সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব।’ তিনি জানান, ভবিষ্যতে মাশরুম রফতানি এবং আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, এই উদ্যোগ শুধু একটি ব্যবসায়িক সাফল্য নয়; এটি গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়নের এক বাস্তব উদাহরণ।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews