1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ির ২টি বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন শেষে আর্থিক অনুদান ও গাছের চারা উপহার প্রদান করেছেন মহালছড়ি জোন অধিনায়ক মহালছড়ি ধুমনীঘাটে দুই শতাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করল মহালছড়ি সেনা জোন মহালছড়িতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা-২০২৬-২৭ (সিজন-২) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে চোংড়াছড়ি শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন জোন অধিনায়ক সংসদ ভবন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ সীমান্তের ওপার থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী জানা গেল এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের তারিখ আর্জেন্টিনার রেকর্ড ভাঙল ব্রাজিল, এক ম্যাচে ৫৩ জনকে লাল কার্ড নগরকান্দায় দুই ব্যবসায়ীকে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত মহালছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

রাজধানীতে এত কৃষি কর্মকর্তাদের ভীড় কেন

  • শনিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১১২ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ কর্মকাণ্ড না থাকলেও কর্মকর্তারা আছেন বহাল তবিয়তে। কিন্তু সেখানে তাদের কাজ কী? রাজধানী ঢাকার মিরপুর, উত্তরা, মোহাম্মদপুর, গুলশান ও কামরাঙ্গীর চরে কোনো কৃষিজমি নেই। আবাদ হয় না কোনো ফসল। কিন্তু কৃষিকাজ দেখাশোনার জন্য রয়েছেন ৪২ জন কৃষি কর্মকর্তা। এ ছাড়া একাধিক স্পেয়ার মেকানিকসহ রয়েছেন আরো ২৯ জন কর্মচারী। এসব কৃষি কর্মকর্তাদের কাজ কী বা তাঁরা করেনই বা কী? তাঁদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে এমন প্রশ্ন করা হলে সহজ উত্তর মেলে, ‘কেন, তাঁরা ছাদবাগানের বিষয়ে পরামর্শ দেন।’

মিরপুরের এক বাসিন্দার বারান্দা-বাগানের একটি শস্যে পোকার আক্রমণ হয়। তিনি ওয়েবসাইট থেকে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের কৃষি কর্মকর্তাদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে ফোনে আক্রান্ত গাছের ছবিও তুলে পাঠান। ওই কর্মকর্তা ওষুধের নাম হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি। পরে তিনি অনেক চেষ্টা করেও একজন কৃষি কর্মকর্তা বা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সহায়তা পাননি। নিরাশ হয়ে ওই ব্যক্তি গাছটিই কেটে ফেলে দেন। ঢাকার কৃষি কর্মকর্তাদের সহায়তা পেয়েছেন, এমন মানুষের সংখ্যা নগণ্য। ইয়াসিন আলী, মিরপুরের বাসিন্দা। ঢাকায় ছাদবাগানের বিষয়ে পরামর্শ বা সহায়তার জন্য কৃষি কর্মকর্তা রয়েছেন, তা তিনি জানেনই না।

ঢাকার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় ঢাকার কৃষির জন্য ছয়টি কৃষি মেট্রোপলিটন অঞ্চল রয়েছে। মিরপুর, মোহাম্মদপুর, গুলশান, উত্তরা, তেজগাঁও ও কামরাঙ্গীর চর। তেজগাঁওয়ে ১৭৭ বর্গকিলোমিটার এলাকার চার হাজার ২৯০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ফসল আবাদ হয়। এর বাইরে পাঁচটি অঞ্চলে কোনো আবাদি জমি নেই।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক (সম্প্রসারণ) সরকার শফি উদ্দীন আহমেদ বলেন, কৃষি কর্মকর্তারা ছাদবাগানের পরামর্শ দেন। এই কর্মকর্তারা ছাদবাগান তদারকি করেন কি না-প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদারকি করবেন না, পরামর্শ দেবেন। ঢাকায় ছাদের ওপর যে সবুজায়ন দেখছেন, তাতে কৃষি কর্মকর্তাদের অবদান রয়েছে। কৃষি কর্মকর্তারা দাবি করছেন, ঢাকা মহানগরীতে চার হাজার ৬০০ ছাদবাগান রয়েছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews