এমডি সাজ্জাদ তালুকদার, ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকের দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের মর্যাদ গ্রামে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ ১১ জন আহত। ৩ মার্চ, সোমবার সন্ধা ৭ ঘটিকার সময় গ্রামের রেজিয়া বেগম ও জয়ফুল নেছার মধ্যে কথা-কাটাকাটির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজ বাড়ির রাস্তায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের দিল আফরোজ কাচা মিয়ার পুত্র আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য আলী হোসেন এবং তার নিকট আত্মীয় মৃত আজমান আলীর পুত্র মোশাহিদ আলীর মধ্যে রাস্তাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন ধরে চলমান। পূর্ব শত্রুতা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মামলা মোকদ্দমা ও রয়েছে। তাদের এসব ঘটনা স্থানীয় মুরুব্বিয়ান ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সালিশের মাধ্যমে সমাধানও হয়েছে। সোমবার ঘটনার সময় দুই নারীর কথা কাটাকাটি নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ও সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহতরা হলেন দিল আফরোজ-কাচা মিয়া (৬০), আলী হোসেন (৪০), লোকমান হোসেন (৩২), রেজিয়া বেগম (৩৮) লুবনা বেগম (১৬), সুনিয়া বেগম (১৮), নাদিয়া বেগম (১৯), আরজদ আলী (৫০), স্বপন মিয়া (৩৫), জুয়েল মিয়া (২৮), শামীম আলম (৩৫)। ঘটনার রাতে সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোশাহিদ আলী বাদী হয়ে মারামারি ও লুটপাটের অভিযোগে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। প্রতিপক্ষের দিলোয়ার হোসেন সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় এ অভিযোগ দেয়া হয়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানার এসআই মো. তোহা মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
গ্রামের জয়নুল ইসলাম কামাল বলেন, মারামারিতে জড়িত দু’পক্ষই তার নিকটাত্মীয়। দীর্ঘ দিন ধরে তাদের বিরোধ চলে আসছে। ঘটনার দিন উভয় পক্ষই বাড়ির পাশে সড়কে সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের লোক আহত হয়েছেন। কোনো পক্ষই কারো বাড়ি ঘরে হামলা লুটপাট করেনি। মারামারির ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে।
গ্রামের প্রবীণ মুরুব্বি আসিদ আলী, আলকাছ আলী বলেন, তারা নিকটাত্মীয় দু’পরিবার। মারামারির ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে গ্রামের মানহানি ঘটিয়েছেন। ঘটনাটি দুঃখ জনক। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে।

Leave a Reply