1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ির ২টি বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন শেষে আর্থিক অনুদান ও গাছের চারা উপহার প্রদান করেছেন মহালছড়ি জোন অধিনায়ক মহালছড়ি ধুমনীঘাটে দুই শতাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করল মহালছড়ি সেনা জোন মহালছড়িতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা-২০২৬-২৭ (সিজন-২) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে চোংড়াছড়ি শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন জোন অধিনায়ক সংসদ ভবন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ সীমান্তের ওপার থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী জানা গেল এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের তারিখ আর্জেন্টিনার রেকর্ড ভাঙল ব্রাজিল, এক ম্যাচে ৫৩ জনকে লাল কার্ড নগরকান্দায় দুই ব্যবসায়ীকে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত মহালছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

২ মাস কাঁকড়া ধরা নিষেধাজ্ঞা সুন্দরবন উপকূলে

  • বুধবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৬৪ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়াতে বন বিভাগ জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি-এই দুই মাস কাঁকড়া আহরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা। প্রজনন সুরক্ষায় উদ্যোগ বুড়িগোয়ালিনী বনস্টেশন অফিসার (এসও) মো. জিয়াউর রহমান বলেন, কাঁকড়ার প্রজনন সুরক্ষিত রাখতে এবং পরবর্তী বছরে উৎপাদন বাড়িতে দুই মাস কাঁকড়া ধরার অনুমতি বন্ধ রাখা হয়েছে। এ সময় বনবিভাগ ও কোস্টগার্ডের টহল জোরদার করা হবে। যদি প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া শিকার বন্ধ রাখা যায়, তবে আগামী বছর প্রজনন বৃদ্ধির পাশাপাশি উৎপাদনও বাড়বে।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) মো. মশিউর রহমান বলেন, কাঁকড়া বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান উপকরণ। প্রজনন মৌসুমে আহরণ বন্ধ রাখার ফলে কাঁকড়ার প্রাকৃতিক উৎপাদন বাড়বে। এ জন্য জেলেদের কাঁকড়া আহরণ বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আহরণ নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে বুড়িগোয়ালিনী, কদমতলা, কৈখালী ও কোবাদক ফরেস্ট স্টেশনের অধীনে ২ হাজার ৯০০টি নৌকার মধ্যে ১ হাজার ৬০০টি কাঁকড়া ধরার জন্য নিবন্ধিত। শ্যামনগর উপজেলায় নিবন্ধিত প্রায় ২৮ হাজার জেলের অর্ধেকের বেশি জীবিকা নির্বাহ করেন কাঁকড়া আহরণ থেকে। হরিনগর বাজারের কাঁকড়া ব্যবসায়ী রতন মণ্ডল জানান, শ্যামনগর থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকার কাঁকড়া ঢাকায় পাঠানো হয়। তবে প্রজনন মৌসুমে এই রপ্তানি কার্যক্রম শূন্যের কোটায় নেমে আসে, যা সরাসরি কয়েক হাজার মানুষের জীবিকার ওপর প্রভাব ফেলে।

জেলে সমসের গাজী (৭০), সালাম গাজী (৬৫) এবং আবুল ঢালী (৭৫) বলেন, নিষেধাজ্ঞার ফলে দরিদ্র পরিবারগুলো মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে সংসার চালাতে বাধ্য হয়। সরকার থেকে সহায়তা না পেলে এই দুই মাস অনেকের জন্য দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে। কাঁকড়ার প্রজননের গুরুত্ব বন বিভাগের তথ্যমতে, সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশ অংশের মধ্যে ১ হাজার ৮৭৪ দশমিক ১ বর্গকিলোমিটার জলভাগ। এখানে ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি এবং ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া পাওয়া যায়। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি এই দুই মাস কাঁকড়ার প্রজননের সময়। সরকারি উদ্যোগ ও সহযোগিতা দাবি কাঁকড়া আহরণ বন্ধ রাখার মাধ্যমে প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে চায় সরকার। তবে, স্থানীয় জেলে ও ব্যবসায়ী সমাজ সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য সহায়তার ব্যবস্থা করতে।

স্থানীয়দের মতে, সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রজনন মৌসুমে সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews