1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মধুমতীর বুকে বৈঠার লড়াই, দুই পাড়ে লাখো মানুষের উচ্ছ্বাস মহালছড়ি উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে মাইসছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত আংশিক কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন শালিখায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন! যুব ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ সালথায় চীনা যুবক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে করায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি মহালছড়িতে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ পালিত মহালছড়ির দুই কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয়! পাসের হার ১৬.৬১ ও ৪.৩৫ শতাংশ লংগদুতে আসন্ন শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আর্থিক সহায়তা প্রদান শালিখায় কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল রাড়িখালি একাদশ বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন সহযোগিতা বাড়াতে চায় ফিলিপাইন সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটিয়া সরাতে হবে শনিবারের মধ্যে, না হলে বরাদ্দ বাতিল

ভারতেও অভ্যুত্থান ঘটতে পারে

  • বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৫৬ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ বাংলাদেশের কায়দায় ভারতেও ঘটতে পারে অভ্যুত্থান। দেশটির ইংরেজি দৈনিক ইকোনমিক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন ভারতের বিখ্যাত আরএসএস গবেষক দিলীপ দিওধর।

ইকোনমিক টাইমস বলছে, আরএসএস গবেষক দিলীপ দিওধরের এই মন্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ দিওধর এমন এক সময়ে এই মন্তব্য করেছেন যার কয়েক দিন আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহারাষ্ট্রের নাগপুরে প্রথমবারের মতো সফর করেছেন। গত রবিবার নাগপুরে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আরএসএসের প্রধান মোহন ভগবত।

গত ১১ বছরে মূল সংগঠন আরএসএস ও বিজেপির মধ্যে সম্পর্ক শীতল হয়ে গিয়েছিল এবং বিজেপি এই বছরগুলোতে নিজেদের পথে চলেছে। কর্ণাটক ও উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় তাদের সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছিল। ওই সময় আরএসের পরামর্শ উপেক্ষা করেছিল বিজেপি। তবে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর, যেখানে বিজেপি এক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে দূরে ছিল এবং বাংলাদেশের ক্ষমতার পরিবর্তন সংগঠন দু’টিকে কাছে নিয়ে এসেছে। মহারাষ্ট্রের নাগপুর-ভিত্তিক আরএসএস গবেষক দিলীপ দিওধর আরএসএসের সাবেক প্রধান এমএস গোলওয়ালকার, বালাসাহেব দিওরাস এবং মরোপান্ত পিঙ্গল, ডিবি থেনগাদি এবং মদন দাস দেবীর মতো অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখতেন। গবেষক দিলীপ দিওধরের মতে, এসব নির্বাচনে বিধানসভা ও লোকসভা) বিজেপির প্রচারণা থেকে নিজেদের দূরে রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ।

( আরএসএস নেতৃত্ব থেকে শুরু করে তার কর্মীদের দলের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ না দেওয়ার বিষয়ে কোনও নির্দেশনা ছিল না। তবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে কোনও কর্মী বা দলীয় কার্যনির্বাহী নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে চাইলে তিনি তা নির্দ্বিধায় করতে পারতেন। সংঘ বিজেপিকে সহায়তা করার জন্য এগিয়ে আসেনি এবং এর প্রভাব বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে দেখা গেছে। আরএসএস বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি নাখোশ ছিল এবং লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের কয়েক দিনের মধ্যেই আরএসএস প্রধান ব্যক্তি পূজা এবং একজন নেতার হাতে ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণের বিরুদ্ধে কথা বলায় বিষয়টি পরিষ্কার হয়। আরএসএসের এই গবেষক বলেছেন, দু’টি সংগঠনই তাদের নিজেদের মধ্যকার মতপার্থক্যকে পেছনে ফেলার চেষ্টা করছে।

এতে বিশাল ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতন। সংঘ বিজেপি নেতৃত্বকে তার উদ্বেগের বিষয়ে অবহিত করেছিল যে, রাজপথের বিক্ষোভের মাধ্যমে বাংলাদেশে যেভাবে সরকার পরিবর্তন ঘটেছিল, সেরকম কিছু ভারতেও ঘটতে পারে। বাংলাদেশে সরকার পতনের পর ভারতের অনেক বিরোধী নেতা বলেছিলেন, দেশেও একই রকমের ঘটনা দরকার। যে কারণে উদ্বেগগুলো অমূলক ছিল না। সংঘ ও বিজেপি উভয়ই জানে, বাইরের এমন কিছু শক্তি রয়েছে, যারা ভারতের নিজস্ব বৈদেশিক নীতি থাকতে পারে, সেটা চায় না।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews