1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নগরকান্দায় স্কুল কমিটির পরিচিতি সভা ও বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড যারা নস্যাৎ করতে চায়, জনগণই তাদেরকে প্রতিহত করবে শালিখায় ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের সাথে নয়নুজ্জামান মুন্সীর মতবিনিময় সভা মহালছড়িতে মোবাইল কোর্টে মাদকাসক্ত ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড মহালছড়িতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়ি জোন কর্তৃক বাঙালি ও পাহাড়ি কৃষকদের মাঝে উচ্চ ফলনশীল ধানের বীজ বিতরণ মহালছড়িতে নূরে মদিনা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার উদ্বোধন, জোনের উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্প ও ত্রাণ বিতরণ খাগড়াছড়িতে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ মহালছড়িতে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত নগরকান্দায় ৯ বছরের শিশুর লাশ উদ্ধার

নির্বাসিত জীবনের চিরমুক্তি: কবি দাউদ হায়দার বেঁচে নেই

  • রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৪৯ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ জীবনের সীমানা পেরিয়ে চলে গেলেন চিরনির্বাসনে ‘জন্মই আমার আজন্ম পাপ’-বাংলা কবিতার এ বিখ্যাত পংক্তির রচয়িতা, নির্বাসিত কবি দাউদ হায়দার। গতকাল ২৬ এপ্রিল, শনিবার রাতে জার্মানির বার্লিনের একটি বয়স্ক নিরাময় কেন্দ্রে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও দাউদ হায়দারের ভাতিজি শাওন্তী হায়দার জানান, স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২০ মিনিটে কবির মৃত্যু হয়। বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাবনা জেলায় জন্ম নেওয়া দাউদ হায়দার একাধারে কবি, লেখক ও সাংবাদিক ছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নির্বাসিত কবি হিসেবে তার পরিচিতি। সত্তর দশকের শুরুতে ‘দৈনিক সংবাদ’-এর সাহিত্য পাতার সম্পাদক ছিলেন তিনি।

দাউদ হায়দারের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে অন্যতম ‘জন্মই আমার আজন্ম পাপ’। ১৯৭৩ সালে দৈনিক সংবাদের সাহিত্য পাতায় প্রকাশিত ‘কালো সূর্যের কালো জ্যোৎস্নায় কালো বন্যায়’ কবিতায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ ওঠে। এর জেরে ১৯৭৪ সালের ১১ মার্চ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর মুক্তি দেওয়া হলেও, নিরাপত্তার অভাবে ২১ মে ভোরে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে কলকাতা পাঠিয়ে দেওয়া হয় তাকে।

দাউদ হায়দার লিখেছিলেন, নির্বাসনের সময় তার কাছে ছিল মাত্র ৬০ পয়সা, একটি ব্যাগে কয়েকটি পোশাক, স্লিপার, একটি টুথব্রাশ এবং কবিতার বই। কলকাতায় কয়েক বছর কাটানোর পর, ভারত সরকারও তাকে বহিষ্কার করে। এরপর জার্মান সাহিত্যিক ও নোবেল বিজয়ী গুন্টার গ্রাসের সহায়তায় ১৯৮৭ সালে জার্মানিতে আশ্রয় নেন তিনি। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে কবি নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। গত বছর ডিসেম্বরে বার্লিনের বাসায় সিঁড়িতে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান তিনি।

এরপর হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। যদিও পরে হাসপাতাল ছেড়েছিলেন, কিন্তু আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। চিরকুমার দাউদ হায়দার বার্লিনেই ছিলেন নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করে। ১৯৭৩ সালে লন্ডন সোসাইটি ফর পোয়েট্রি তার একটি কবিতাকে ‘দ্য বেস্ট পোয়েম অব এশিয়া’ সম্মানে ভূষিত করেছিল।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews