1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের অন্তর্গত বাঘাইছড়ি উপজেলার ৫৭ জন রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ মহালছড়িতে অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত! সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী মাসালং এ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় ইউপিডিএফ এর বাধা! জনগণের কল্যাণে সবার সহযোগিতা কাম্য শালিখায় গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে কর্মশালা মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের কৃষি বিষয়ে আগ্রহ ও বজ্রপাত সচেতনতায় আলোচনা সভা নগরকান্দায় পুড়াপারা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির পদত্যাগ

মংলা বিশ্বমানের আধুনিক সমুদ্রবন্দর হবে বললেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা

  • বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৪০৭ গননা করুন

একতা ডেস্ক: মংলা সমুদ্র বন্দরকে বিশ্বমানের নিরাপদ ও আধুনিক বন্দরে পরিণত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। গতকাল ৫ নভেম্বর, মঙ্গলবার দুপুরে খুলনায় মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান।

মংলা বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নত করা হবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেছেন, মংলা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর। ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় এ সমুদ্র বন্দরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের অর্থনীতিতেও বন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। রাজধানী ঢাকা থেকে বন্দরটির সড়ক পথে দূরত্ব মাত্র ২১০ কিলোমিটার। এছাড়াও বন্দরটির সাথে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য প্রান্তের রেল ও নৌযোগাযোগ রয়েছে। সুতরাং এ বন্দরটিকে পিছিয়ে রাখার কোনো সুযোগ নেই। মংলা বন্দরকে আরও আধুনিক ও বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং কিছু প্রকল্প ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য হাতে নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেছেন, চলমান প্রকল্পগুলো যথা নিরাপদ চ্যানেল বিনির্মাণ, সমুদ্রগামী জাহাজ সুষ্ঠুভাবে হ্যান্ডলিং। এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় জরুরি উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য মংলা বন্দরের জন্য সহায়ক জলযান সংগ্রহ, ‘মংলা বন্দরে আধুনিক বর্জ্য ও নিসৃত তেল অপসারণ ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রকল্প, ‘আপগ্রেডেশন অব মংলা পোর্ট শীর্ষক প্রকল্প, ‘পশুর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং’ শীর্ষক প্রকল্প, ‘মংলা বন্দরের ২টি অসম্পূর্ণ জেটি নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পসমূহ হচ্ছে-মংলা বন্দরের সুবিধাদির সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ প্রকল্প, মংলা বন্দর চ্যানেলে ৫ বছর মেয়াদি সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্প, পশুর চ্যানেলে নদীশাসন এবং মংলা বন্দরের আরো সম্প্রসারণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এ সব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মংলা বন্দরের বার্ষিক সক্ষমতা বাড়বে। চ্যানেলে ৮.৫ সিডি গভীরতা অর্জিত হবে। এতে ১০ মিটার গভীরতার জাহাজ মোংলা বন্দরে হ্যান্ডেল করা সম্ভব হবে। মংলা বন্দরে বার্ষিক প্রায় ৮ লাখ টিইউজ কন্টেইনার, ৪ কোটি মেট্রিক টন কার্গো এবং ৩০ হাজার গাড়ি হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা বাড়বে। এ সময়ে বন্দরের কার্যক্রমকে আরও বেশি গতিশীল ও আমদানি-রফতানিকারকদের উৎসাহিত করতে রাজস্ব বিভাগকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মোংলা বন্দরে স্ক্যানার স্থাপনের নির্দেশনা প্রদান করেন উপদেষ্টা। বন্দরের নাব্যতা বৃদ্ধি ও সংরক্ষণের জন্য ড্রেজিং এর প্রয়োজন রয়েছে উল্লেখ করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জন্য নিজস্ব ২ টি ড্রেজার ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এ সভায় মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমানসহ বন্দরের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ ও নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্রঃ সমকাল

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews