1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের অন্তর্গত বাঘাইছড়ি উপজেলার ৫৭ জন রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ মহালছড়িতে অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত! সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী মাসালং এ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় ইউপিডিএফ এর বাধা! জনগণের কল্যাণে সবার সহযোগিতা কাম্য শালিখায় গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে কর্মশালা মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের কৃষি বিষয়ে আগ্রহ ও বজ্রপাত সচেতনতায় আলোচনা সভা নগরকান্দায় পুড়াপারা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির পদত্যাগ

অবাধে অতিথি পাখি শিকার চলনবিলে চলনবিলে

  • বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৩৫২ গননা করুন

একতা ডেস্ক: হেমন্তের হালকা শীতের আমেজে অতিথি পাখি আসতে শুরু করেছে চলনবিলে। কিন্তু বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের নূন্যতম প্রয়োগ না থাকায় পাখি শিকারিদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে শীতের শুরুতেই। পাখি শিকারিরা অবাধে অতিথি পাখি নিধন করে চলেছেন। জানা গেছে, চলনবিল অধ্যুষিত সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল গ্রামের কুন্দইল বাজার ও দিঘীসগুনা গ্রামের দিঘী বাজারে রীতিমত পাখির বাজার বসেছে। শিকারিরা রাতভর পাখি শিকার করে ভোরে বাজারে নিয়ে আসেন বিক্রির জন্য। এ ছাড়াও বারুহাস ইউনিয়নের বস্তুল গ্রামের বস্তুল বাজার ও পঁওতা গ্রামের পঁওতা বাজারে শতশত বক বিক্রি করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু পাখি শিকারিরা বলেন, তারা মনে করেন পাখি শিকারে তেমন বিধিনিষেধ নেই। বরং অন্য কাজের পাশাপাশি অল্প শ্রমে পাখি শিকার করে অতিরিক্ত টাকা পাওয়া যায়। বিশেষ করে লোকজনের কাছে অতিথি পাখির ব্যপক চাহিদা রয়েছে। শিকারিদের সাথে তারা আগে থেকেই যোগাযোগ রাখেন। অনেকে শিকারিদের বাড়ি থেকে পাখি কিনে আনেন। শিকারিরাও পৌঁছে দেন অনেকের বাড়িতে।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ডিগ্রি কলেজের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক মর্জিনা ইসলাম বলেন, চলনবিলের পানি নামার সময় পুঁটি, দারকিনা, খলসেসহ প্রচুর পরিমাণে ছোট মাছ ও পোকা মাকড় পাওয়া যায়। মূলত খাবারের লোভে ও অপেক্ষাকৃত শীত থেকে বাঁচতে শামুকখোল, বালিহাঁসসহ নানা প্রজাতির অতিথি পাখি আশ্রয় নেয় চলনবিলে। কিন্তু শিকারিরা জাল ও বিভিন্ন ফাঁদ পেতে এসব পাখি শিকার করেন। তারা হয়ত জানেননা, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী পাখি শিকারিদের জন্য এক বছর পর্যন্ত কারাদন্ড অথবা সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডের বিধান রয়েছে। তাছাড়া একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটালে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত করাদন্ড অথবা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।

অপরদিকে চলনবিল রক্ষা আন্দোলন কমিটির তাড়াশ উপজেলা শাখার আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজু বলেন, পাখি শিকার করে ও শিকারিদের কাছ থেকে পাখি কিনে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন অন্যদের দেখানোর জন্য। এতে বুঝা যায় পাখি শিকার করা দন্ডনীয় যে অপরাধ, তা নিয়ে শিকারি বা ক্রেতাদের এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র ভীতি নাই। চলনবিলের পাখি বাঁচাতে আইন প্রয়োগের পাশাপশি লোকজনের মধ্যে ব্যপকহারে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাতে হবে।’

উপজেলা বন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেছেন, বেশীরভাগ শিকারি রাতে পাখি শিকার করেন। বিশাল চলনবিলের মধ্যে তাদের খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী মাজিস্ট্রেট সুইচিং মং মারমা বলেন, পাখি শিকারিদের অবস্থান জানা গেলে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ প্রসঙ্গে রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস. এম. সাজ্জাদ হোসেন দৈনিক ইত্তেফাককে বলেন, তাড়াশ উপজেলা প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনে যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে পাখি শিকারিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

তথ্যসূত্রঃ ইত্তেফাক

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews