1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে বৈসাবি মেলার সমাপনী দিনে জোন অধিনায়কের সম্প্রীতির বার্তা ও আর্থিক উপহার প্রদান মহালছড়িতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ (বৈশাখী) উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নগরকান্দা ও সালথায় বাংলা বর্ষ বরণ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের নববর্ষ বরণ মহালছড়িতে ঐতিহ্যবাহী মাতাই পুখরী তীর্থ মেলা ১৪৩৩ বাংলা যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নগরকান্দা প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত, বাগেরহাট মোংলা ও সুন্দরবনে দুইদিন শালিখায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী ফুলবিঝুর মধ্যে দিয়ে মহালছড়িতে তিন দিন ব্যাপি বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসু’র আনুষ্ঠানিকতা শুরু

ভারত কি মাওবাদী-বিরোধী রক্তাক্ত লড়াইয়ে জিতবে

  • বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫
  • ১৮৯ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ ভারতের কয়েক দশকের পুরনো মাওবাদী বিদ্রোহ চলছে। যা নকশাল আন্দোলন নামেও পরিচিত। অবশেষে তার সমাপ্তির দিকে এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। সম্প্রতি ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর এক বড় অভিযানে শীর্ষ মাওবাদী নেতা নাম্বালা কেশব রাও, যিনি বাসবরাজু নামে পরিচিত ছিলেন। ২৬ জন সহযোগীসহ নিহত হওয়ার পর এই জল্পনা তীব্র হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই অভিযানকে তিন দশকের মধ্যে বিদ্রোহের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় আঘাত বলে অভিহিত করেছেন।

বাসবরাজুর মৃত্যু নিছক একটি কৌশলগত বিজয় নয় বরং এটি বাস্তার অঞ্চলে মাওবাদীদের শেষ প্রতিরক্ষা লাইনে একটি বড় ফাটলের ইঙ্গিত। বাস্তার হলো মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটি, যেখানে ১৯৮০-এর দশক থেকে তারা তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলেছিল।

১৯৬৭ সালের নকশালবাড়ি গ্রামের কৃষক বিদ্রোহ থেকে উদ্ভূত মাওবাদীরা গত কয়েক দশকে মধ্য ও পূর্ব ভারত জুড়ে একটি রেড করিডোর তৈরি করেছিল। ঝাড়খণ্ড থেকে মহারাষ্ট্র পর্যন্ত বিস্তৃত এই করিডোর দেশের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এই বিদ্রোহকে ভারতের সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। ২০০০ সাল থেকে এই সশস্ত্র সংগ্রাম প্রায় ১২ হাজার মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে। বিদ্রোহীরা দাবি করে যে তারা আদিবাসী উপজাতি এবং গ্রামীণ দরিদ্রদের অধিকারের জন্য লড়াই করছে, যাদেরকে রাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষা করেছে এবং ভূমি থেকে বঞ্চিত করেছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে মাওবাদ নির্মূলের অঙ্গীকার করেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, এটি কি সত্যিই এই রক্তাক্ত বিদ্রোহের শেষ, নাকি কেবল একটি সাময়িক বিরতি?

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাওবাদী-সম্পর্কিত সহিংস ঘটনায় ৪৮% হ্রাস ঘটেছে। ২০১৩ সালের ১ হাজার১৩৬টি ঘটনা থেকে ২০২৩ সালে ৫৯৪টিতে নেমে এসেছে। একই সময়ে, সংশ্লিষ্ট মৃত্যুর ঘটনা ৬৫% কমে ৩৯৭ থেকে ১৩৮-এ দাঁড়িয়েছে। তবে, ২০২৩ সালে নিরাপত্তা বাহিনীর হতাহতের সংখ্যা ২০২২ সালের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মূল মাওবাদী এলাকাগুলিতে অভিযান জোরদার করার ফল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ছত্তিশগড়ে মাওবাদের পতন, যা একসময় বিদ্রোহের শক্ত ঘাঁটি ছিল, আন্দোলনের ব্যাপক পতনের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র প্রদান করে। গণপতি বলেন, এক দশক আগেও রাজ্যের পুলিশ দুর্বল ছিল। কিন্তু বর্তমানে, কেন্দ্রীয় আধা-সামরিক বাহিনীর সহায়তায় রাজ্য-নেতৃত্বাধীন সুনির্দিষ্ট অভিযান খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews