1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নগরকান্দায় স্কুল কমিটির পরিচিতি সভা ও বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড যারা নস্যাৎ করতে চায়, জনগণই তাদেরকে প্রতিহত করবে শালিখায় ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের সাথে নয়নুজ্জামান মুন্সীর মতবিনিময় সভা মহালছড়িতে মোবাইল কোর্টে মাদকাসক্ত ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড মহালছড়িতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়ি জোন কর্তৃক বাঙালি ও পাহাড়ি কৃষকদের মাঝে উচ্চ ফলনশীল ধানের বীজ বিতরণ মহালছড়িতে নূরে মদিনা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার উদ্বোধন, জোনের উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্প ও ত্রাণ বিতরণ খাগড়াছড়িতে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ মহালছড়িতে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত নগরকান্দায় ৯ বছরের শিশুর লাশ উদ্ধার

জুলাইয়ে আহত-কর্মচারীদের সংঘর্ষে ৪ দিন ধরে বন্ধ চক্ষুবিজ্ঞানে সেবা

  • শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫
  • ১৩৬ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ টানা চতুর্থ দিনের মতো সেখানে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রয়েছে ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জুলাই আন্দোলনে আহতদের সঙ্গে হাসপাতালের কর্মচারীদের সংঘর্ষের জেরে। ফলে দেশের প্রধান চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে এসে প্রতিদিনই ফিরে যাচ্ছেন শত শত রোগী। বুধবার সংঘর্ষের পর হাসপাতালের চিকিৎসক-কর্মচারীরা নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে কর্মবিরতি শুরু করলে জরুরি ও নিয়মিত চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়ে যায়।

শনিবারও দেখা গেছে, বিভিন্ন জেলা থেকে আসা রোগীরা ফটকের সামনে এসে ফিরে যাচ্ছেন হতাশ হয়ে। রাজবাড়ী থেকে আসা কালা চাঁনের মেয়ে হালিমা বেগম বলেন, ডাক্তার কিছু রিপোর্ট দিয়েছিল, আজ দেখানোর কথা ছিল। ভোরে বের হয়ে এখন এসে দেখি হাসপাতাল বন্ধ। তিনজন মিলে ঢাকা আসতেই গেছে ১৫শ টাকা, আবার ফেরত যাওয়ার খরচও আছে। গরিব মানুষ, এতবার আসা আমাদের পক্ষে সম্ভব না।

ভাসানটেকের আট বছরের শিশু আবদুল্লাহর চোখে বরশি ঢুকে গেলে তাকে নিয়ে স্বজনরা হাসপাতালে আসেন, কিন্তু বন্ধ থাকায় তারা পরে চলে যান ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে। ময়মনসিংহ থেকে আসা শফিকুল ইসলাম বলেন, অনেক কষ্ট করে, টাকা খরচ করে এখানে আসলাম। এখন শুনি হাসপাতাল বন্ধ। আমাদের কষ্ট তো কেউ বুঝবে না।

নাটোরের হাফিজুর রহমান জানান, তার মেয়ের চোখের অপারেশনের জন্য তারিখ দেওয়া ছিল। আজকে এসে দেখি তালা মারা। এখন মেয়ের চিকিৎসা হবে কিভাবে! যদি ক্ষতি হয়, দায় কে নেবে! একজন নারী কর্মচারী বলেন, জুলাই আহতদের হামলায় আমরা অনেকেই আহত হয়েছি। নিরাপত্তা ছাড়া আমরা কাজ করতে পারি না। তারা স্যারকে জিম্মি করেছে, রেফারেল লিখে দিতে বাধ্য করছে। পুরো হাসপাতাল জিম্মি করে রেখেছে তারা।

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডাঃ জানে আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে জুলাই ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আকবর কামাল বলেন, দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা চলছে। আহতদের তালিকায় যেসব কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বাদ দিয়ে বাকিরা সেবা দিতে পারেন, এমন প্রস্তাব এসেছে। আমরা বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানাচ্ছি, আশা করছি দ্রুত সমাধান হবে।

গত রোববার উন্নত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের দাবিতে চার জুলাইযোদ্ধা বিষপান করেন। এরপর মঙ্গলবার তারা হাসপাতাল পরিচালকের কক্ষে প্রবেশ করে তাকে অবরুদ্ধ করেন। দেড় ঘণ্টা পর সেনাবাহিনীর সহায়তায় তিনি মুক্ত হন। এরপরেই কর্মবিরতিতে যান চিকিৎসক ও কর্মচারীরা।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews