একতা ডেস্কঃ পাকিস্তান মাস দুয়েক আগেই ভারতের সঙ্গে চরম এক সংঘাতে জড়িয়েছিল। ১৯ দিনের ওই সংঘাত ভয়াবহ রূপ ধারণের আগেই মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দুদেশ। এর মধ্যেই সামনে এসে উপস্থিত আরও একটি ভয়াবহ সংঘাত।
৭ দিন ধরে চলমান ইরান-ইসরায়েল সংঘাত আরও একবার শঙ্কিত করে তুলেছে পাকিস্তানকে। কারণ, ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত আছে দেশটির। এ অবস্থার মধ্যেই গতকাল ১৮ জুন, বুধবার হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।
স্বাভাবিকভাবেই ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের পাশাপাশি ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের বিষয়টিও উঠে এসেছে এই বৈঠকে। গত ১৪ জুন থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন জেনারেল মুনির। ১৮ জুন তাকে বৈঠকের দাওয়াত দেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস সূত্র আগেই জানায়, ইরান ও ইসরায়েল চলমান সংঘাতে পাকিস্তান যেন কোনোভাবেই জড়িয়ে না পড়ে, সেই বার্তা দিতেই পাক সেনাপ্রধানকে বৈঠক ও মধ্যাহ্নভোজের দাওয়াত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
প্রথমে পাক সেনাপ্রধানের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ সারেন ট্রাম্প। এরপর বৈঠকে করেন তারা। বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আসিম মুনিরের সঙ্গে দেখা করতে পেরে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন এবং তারা ইরান ও ভারত-পাক সংঘাত নিয়ে আলোচনা করেছেন। ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ভারত-পাক যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য পাক সেনাপ্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। কারণ তিনি যুদ্ধে না গিয়ে তা থামিয়েছিলেন।
দুইজন বুদ্ধিমান মানুষ যুদ্ধে আর না এগোনোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। দুটি দেশই পরমাণু শক্তিধর। বৈঠকে ইরান-ইসরাইল সংঘাত নিয়ে আলোচনা হয়ে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, হ্যাঁ। আলোচনা হয়েছে।
পাকিস্তান ইরানকে অন্য অনেকের থেকে ভাল চেনে। তারা (পাকিস্তান) কোনো কিছু নিয়েই খুশি নয়। তারা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।
Leave a Reply