1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে বৈসাবি মেলার সমাপনী দিনে জোন অধিনায়কের সম্প্রীতির বার্তা ও আর্থিক উপহার প্রদান মহালছড়িতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ (বৈশাখী) উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নগরকান্দা ও সালথায় বাংলা বর্ষ বরণ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের নববর্ষ বরণ মহালছড়িতে ঐতিহ্যবাহী মাতাই পুখরী তীর্থ মেলা ১৪৩৩ বাংলা যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নগরকান্দা প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত, বাগেরহাট মোংলা ও সুন্দরবনে দুইদিন শালিখায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী ফুলবিঝুর মধ্যে দিয়ে মহালছড়িতে তিন দিন ব্যাপি বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসু’র আনুষ্ঠানিকতা শুরু

গুম কমিশনের মেয়াদ বেড়ে ৩১ ডিসেম্বরে গেল

  • মঙ্গলবার, ২৪ জুন, ২০২৫
  • ১৫২ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ বিগত আওয়ামী শাসনের আমলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানে গঠিত অনুসন্ধান কমিশনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর গঠিত এই কমিশনের মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। কমিশনের সভাপতি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী। সদস্যরা হলেন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মোঃ ফরিদ আহমেদ শিবলী, মানবাধিকারকর্মী নূর খান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাবিলা ইদ্রিস এবং মানবাধিকারকর্মী সাজ্জাদ হোসেন।

পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, সিআইডি, এসবি, ডিবি, আনসার, এনএসআই, ডিজিএফআই, কোস্ট গার্ডসহ দেশের বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত গুমের ঘটনা অনুসন্ধানে এই কমিশন কাজ করছে। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে ক্রসফায়ারের নামে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, নির্যাতন ও গোপন বন্দিশালার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় ছিল।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে ‘আয়নাঘর’ নামের গোপন বন্দিশিবিরে নির্যাতনের অভিযোগও উঠে আসে। ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুথানে শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর, ২৭ আগস্ট গুম তদন্ত কমিশনের গঠন প্রজ্ঞাপন জারি করে নতুন সরকার।

এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮৫০টি অভিযোগ পেয়েছে, যার মধ্যে ১ হাজার ৩৫০টি যাচাই-বাছাই করে দুটি অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন দিয়েছে। প্রথম প্রতিবেদনটি গত ১৪ ডিসেম্বর জমা দেওয়া হয়, যেখানে গুমের নির্দেশদাতা হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্পৃক্ততার দাবি করা হয়। দ্বিতীয় প্রতিবেদনটি ৪ জুন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেওয়া হয়।

সেখানে গুমের শিকার ব্যক্তিদের বক্তব্য, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বর্ণনা ও নির্যাতনের সচিত্র বিবরণ রয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত তিনটি গোপন বন্দিশালা পরিদর্শন করেন। তাঁর সঙ্গে কমিশন সদস্য ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews