1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে বৈসাবি মেলার সমাপনী দিনে জোন অধিনায়কের সম্প্রীতির বার্তা ও আর্থিক উপহার প্রদান মহালছড়িতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ (বৈশাখী) উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নগরকান্দা ও সালথায় বাংলা বর্ষ বরণ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের নববর্ষ বরণ মহালছড়িতে ঐতিহ্যবাহী মাতাই পুখরী তীর্থ মেলা ১৪৩৩ বাংলা যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নগরকান্দা প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত, বাগেরহাট মোংলা ও সুন্দরবনে দুইদিন শালিখায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী ফুলবিঝুর মধ্যে দিয়ে মহালছড়িতে তিন দিন ব্যাপি বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসু’র আনুষ্ঠানিকতা শুরু

খাগড়াছড়িতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৪ জন নিহত

  • শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫
  • ১৫৯ গননা করুন
প্রতীকী ছবি।

একতা ডেস্কঃ দুর্গম পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার নাড়াইছড়ি এলাকায় দুই পাহাড়ি গ্রুপ ইউপিডিএফ ও জেএসএস-এর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে জোড়া সিন্ধু কারবারিপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া।

ইউপিডিএফ (প্রসিত) শাখার সামরিক শাখা ‘গণমুক্তি ফৌজ’ বা ‘পিপলস্ লিবারেশন আর্মি’র কমান্ডার বিপ্লব চাকমার নেতৃত্বে প্রায় ৪০-৪৫ জনের একটি দলের সঙ্গে জেএসএস কমান্ডার জয়দেব চাকমার নেতৃত্বাধীন ৩৫-৪০ জনের আরেকটি দলের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বলে তিনি জানান।

এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়। এতে ইউপিডিএফের চারজন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আহতও হয়েছেন অনেকে, বলেন ওসি জাকারিয়া। নিহতদের নাম-পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বর্তমানে ঘটনাস্থলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

১৯৯৭ সালে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএস সরকারের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করলেও, এর বিরোধিতায় গড়ে ওঠে ইউপিডিএফ। এরপর থেকে দুই সংগঠনের মধ্যে সশস্ত্র সংঘাত বহু প্রাণহানি ডেকে আনে। ২০০০ সালের পরবর্তী সময়ে প্রায় এক হাজারের বেশি নেতা-কর্মী সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানায়।

২০১৬ সালে অলিখিত এক সমঝোতার মাধ্যমে সংঘাত কমে এলেও পরবর্তীতে জেএসএস ভেঙে জেএসএস (এমএন লারমা) এবং ইউপিডিএফ থেকে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) গঠিত হওয়ায় পাহাড়ি সংঘাত আবার নতুন মাত্রা পায়। পাহাড়ের নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন,

রাজনৈতিক আধিপত্য, চাঁদাবাজি এবং অস্ত্রের রাজনীতির কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তির পথ এখনও অনেক দূরের।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews