1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে মুবাছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের অন্তর্গত বাঘাইছড়ি উপজেলার ৫৭ জন রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ মহালছড়িতে অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত! সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী মাসালং এ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় ইউপিডিএফ এর বাধা! জনগণের কল্যাণে সবার সহযোগিতা কাম্য শালিখায় গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে কর্মশালা মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের কৃষি বিষয়ে আগ্রহ ও বজ্রপাত সচেতনতায় আলোচনা সভা

কাপ্তাই হ্রদে মাছের বাম্পার আহরণ

  • বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ৪৩৪ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ মা রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে মাছের বাম্পার আহরণ শুরু হয়েছে। ছাড়িয়েছে রাজস্ব আয়ের রেকর্ড। গত ২ আগস্ট কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু হওয়ার পর সব ধরনের মাছের উৎপাদন বেড়েছে।

ইতোমধ্যে হ্রদ থেকে আহরিত মাছের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৯৫ মেট্রিক টনে। এতে রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। রাঙামাটি বিএফডিসি সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ববৃহৎ কৃত্রিম জলধারা ও বাংলাদেশের প্রধান মৎস্য উৎপাদন ক্ষেত্র রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ। যা দেশের মিঠা পানির মাছের ভান্ডার হিসেবে পরিচিত। এ হ্রদ থেকে আহরিত মাছ রফতানি করা হয় চট্টগ্রাম-ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। যার সুফল ভোগ করে এ অঞ্চলের ২৬ হাজার মৎস্যজীবী পরিবার। বন্ধকালীন রাঙামাটি মৎস্য উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ হ্রদে ছাড়া হয় বিপুল পরিমাণ পোনা মাছ।

এসব পোনা বড় হওয়ার পর মাছ শিকার শুরু হয়। বন্ধ থাকার সময়ে কাপ্তাই হ্রদে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন হয়েছে চাহিদার অধিক, বলছেন মৎস্যজীবীরা। উৎপাদনও হচ্ছে বাম্পার। সরকারের রাজস্ব খাতে যেমন আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি দেশে মিঠা পানির মাছের চাহিদাও মিটছে, আর লাভবান হচ্ছে মৎস্যজীবীরা। রাঙামাটি ফিসারি ঘাট সমবায় সমিতির অর্থ সম্পাদক মোঃ পান্না মিয়া বলেন, ফিসারি খোলার পর মাছ আহরণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তবে ফিসারিতে প্যাকেজিংয়ের জায়গা সংকট রয়েছে। পল্টন ছাড়িয়ে বিএফডিসি চতুরে মাছ প্যাকেট করতে হচ্ছে। এটি খুবই কষ্টকর। এছাড়া ফিসারি খুলতে না খুলতেই শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। এটা খুবই অযৌক্তিক। রাঙামাটি মৎস্য উন্নয়ন অধিদপ্তরের উন্নয়ন ও বিপণী কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক কমান্ডার মোঃ ফয়েজ আল করিম বলেন, বলেন, কাপ্তাই হ্রদে মাছের সুষ্ঠু প্রাকৃতিক প্রজনন, বংশ বিস্তারের কারণে বাম্পার আহরণ করা সম্ভব হয়েছে। তবে তার জন্য বিএফডিসির সকল কর্মকর্তাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে।

রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে ৭৩টি দেশীয় প্রজাতির ও ৬টি বহিরাগত প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। যা প্রতিবছর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews