1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে এসএসসি পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বৈসাবি মেলার সমাপনী দিনে জোন অধিনায়কের সম্প্রীতির বার্তা ও আর্থিক উপহার প্রদান মহালছড়িতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ (বৈশাখী) উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নগরকান্দা ও সালথায় বাংলা বর্ষ বরণ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের নববর্ষ বরণ মহালছড়িতে ঐতিহ্যবাহী মাতাই পুখরী তীর্থ মেলা ১৪৩৩ বাংলা যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নগরকান্দা প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত, বাগেরহাট মোংলা ও সুন্দরবনে দুইদিন

পাটের দাম বৃদ্ধির কারণ পলিথিন নিষিদ্ধ করা

  • রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২০৩ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ সরাদেশে সুপারশপের পর এবার গত ১ নভেম্বর থেকে কাঁচাবাজারেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে পলিথিন জাতীয় সব ধরনের ব্যাগের ব্যবহার। পরিবেশের কথা চিন্তা করে সরকারের তরফ থেকে ঘোষনা দেওয়া হয়েছে পলিথিন ও পলিপ্রোপাইলিন উৎপাদনকারী কারখানাগুলোর বিরুদ্ধেও অভিযান শুরুর কথাও। এ পরিস্থিতে ইতিমধ্যেই বাজারে বেড়েছে পাটের চাহিদা। সেই সঙ্গে বেড়েছে পাটের দামও। দেশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিষিদ্ধ ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত গত দুই সপ্তাহে পাটের দাম ক্রমেই বাড়ছে। এক্ষেত্রে পাটের মান ভেদে মণপ্রতি ৪০০ থেকে এক হাজার টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকরা বলছেন, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী পলিথিন পুরোপুরি বন্ধ করতে পারলে পাটের মণ ৫ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যাবে। পাশাপাশি কৃষকের আগ্রহে ফিরে পাবে পাটের সোনালী দিনও।

মাদারীপুরের মাদ্রা ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল লতিফ হাওলাদার বলেন, পলিথিন নিষিদ্ধ ঘোষনার আগে দুই হাজার ৭০০ টাকা মণ দরে পাট বিক্রি করেছি। গত সপ্তাহে একই পাট ৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সরকার যদি পলিথি বন্ধের সিদ্ধানে অটুট থাকতে পারে তাহলে পাটের মন ৫ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যাবে। লালমনিরহাটের সদর উপজেলার পাট ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন বলেন, প্রায় এক মাস আগেই কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পাট। বিক্রি করেছেন। আনুমানিক আট থেকে ১০ শতাংশ কৃষকের ঘরে সামান্য কিছু পাট সংরক্ষিত আছে। তিনি বলেন, যারা পাট ঘরে রেখেছিলেন, তারা এখন বাড়তি দাম পাচ্ছেন। মূলত যেসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কৃষকের কাছ থেকে পাট কিনে গুদামজাত করেছিলেন, তারাই এখন বাজারে পাট বিক্রি করছেন।

রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার মহিপুর গ্রামের কৃষক সন্তোষ চন্দ্র বর্মণ বলেন, প্রতি মণ পাট উৎপাদনে খরচ হয় দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত। প্রতি বিঘা জমিতে পাওয়া যায় আট থেকে ১০ মণ পাট। বিক্রি করতে গেলে সে অনুযায়ী লাভ হয় না। যে কারণে পাটচাষ অনেক কমে গেছে। সম্প্রতি পলিথিন নিষিদ্ধ ঘোষণার পর পাটের দাম বাড়তে শুরু করেছে। গত সপ্তাহে মণপ্রতি এক হাজার টাকা বেড়েছে। তবে দাম বৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে কৃষক আবার পাট চাষে ঝুঁকবে বলেও মনে করেন তিনি। কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি গ্রামের কৃষক নুরু মিয়া জানান, তিনি এ বছর ছয় বিঘা জমিতে ৪৯ মণ পাট উৎপাদন করেছিলেন। প্রতি মণ পাট উৎপাদনে তার খরচ হয়েছিল দুই হাজার ৩০০ টাকা। একমাস আগে দুই হাজার ৪০০ টাকা মণ দরে তিনি ৪৪ মণ পাট বিক্রি করেছেন, ঘরে রেখেছেন পাঁচ মণ পাট। তবে এখন পাটের ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে। কারণ পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণার পরেই বড় কোম্পানিগুলো বেশি দরে পাট কিনতে শুরু করেছে। পাটের চাহিদা বাড়ায় দামও বেড়ে গেছে। অভিযোগ করে তিনি বলেন, পাটচাষ এখন আর লাভজনক না। আমরা কেবল পাটকাঠির জন্য চাষ করি। যখন বাজারে পাটের দাম বাড়লো, তখন আমাদের ঘরে বিক্রির জন্য পাট নেই। পাটের দাম বাড়ায় ব্যবসায়ীরা লাভবান হচ্ছেন।

এ প্রসঙ্গে কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, কৃষকরা এখন পাটের চাষ করতে চান না। তারা ওই জমিতে অন্য ফসল উৎপাদন করে লাভবান হচ্ছেন। তাই কীভাবে পাটের চাষ লাভজনক করার মধ্য দিয়ে উৎপাদন বাড়ানো যায় তা নিয়ে পাট বিজ্ঞানীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত ৫৬ ধরনের পাটের জাত আবিষ্কার করেছেন। পাটের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সরকার সচেষ্ট। তিনি বলেন, পাটের তৈরি পণ্য সবচেয়ে বেশি পরিবেশবান্ধব। পাটের ভবিষ্যৎ অবশ্যই আছে এর বহুল ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। সেটা নিশ্চিত করতে হবে। পাটশাক, পাটের চাও খাওয়া যায়। সবকিছু কাজে লাগাতে হবে। কৃষি উপদেষ্টা বলেন, একসময় পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে দেশে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হতো। এখন আর সেই দিন নেই। এ সরকার সেই হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট। পলিথিন বন্ধ করে এর বিকল্প হিসেবে পাটের তৈরি ব্যাগ বাজারজাতের চেষ্টা করা হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের পাটের ব্যাগ নমুনা হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এখন চেষ্টা করা হচ্ছে কীভাবে কম দামে পাটের ব্যাগ সরবরাহ করা যায়।

তথ্যসূত্রঃ ভোরের ডাক

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews