একতা ডেস্ক: ১৯৪৫ সালে জার্মানির ফ্যাসিস্ট নাৎসি পার্টিকে নিষিদ্ধ করা হয় এবং এখনো তারা নিষিদ্ধ রয়েছে। আর সেই ফ্যাসিবাদ হিসেবে আওয়ামী লীগকেও অবশ্যই নিষিদ্ধ করা যায়। এ প্রসঙ্গে সরকার যখনই দলটি নিষিদ্ধের কথা বলছে, তখনই রাজনৈতিকক দলগুলো বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। গত ১৮ নভেম্বর, সোমবার রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আয়োজনে ‘নবীন চোখে গণ-অভ্যুত্থান ও আগামীর বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ আরও বলেছেন, আবরার ফাহাদের মৃত্যু থেকে দেশপ্রেমকে ধারণ করে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে যে লড়াই, সে লড়াই আজও চলছে। তার অংশ হিসেবে ‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। তবে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ এখনো ঠিকভাবে হয়নি। জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের সরকারের পক্ষ থকে ব্যয়ভার বহন করা হবে। সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালকে বিশেষায়িতভাবে জুলাই বিপ্লবে আহতদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ করে দেউলিয়াত্বের হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আলোচকের বক্তব্যে সোশ্যাল এক্টিভিস্ট সাইয়্যেদ আব্দুল্লাহ বলেন, গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ যেটা করেছে তা শুধু এই ১৫ বছরে তৈরি হয়নি। শেখ মুজিবের সময় থেকে এর শুরু হয়েছিল। ‘৭০-এর নির্বাচনে মানুষ ভোট দিয়ে শেখ মুজিবকে নির্বাচিত করে। পরে স্বাধীন বাংলাদেশে শেখ মুজিব সেটা এক্সপ্লোয়েট করেছে। আপনীর আশপাশের আওয়ামী লীগের লোকজনকে জিজ্ঞেস করবেন তারা অনুশোচনা করে কিনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখবেন তারা বলবে- শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। তিনি আরও বলেন, উপদেষ্টাদের মধ্যে অনেকে গণ-অভ্যুথানের স্পিরিটকে ধারণ করে না। উপদেষ্টাদের মধ্যে কেউ কেউ এমনভাবে কাজ করছেন, মনে হয় ১০০ বছরের কোনো মৃগীরোগী কাজ করছেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপস্থাপক ও আইনজীবী মানজুর আল মতিন, জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য ফয়সাল মাহমুদ শান্ত। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ^বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. লুৎফুল এলাহী এবং পরিবেশ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন রুনু।

Leave a Reply