1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের অন্তর্গত বাঘাইছড়ি উপজেলার ৫৭ জন রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ মহালছড়িতে অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত! সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী মাসালং এ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় ইউপিডিএফ এর বাধা! জনগণের কল্যাণে সবার সহযোগিতা কাম্য শালিখায় গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে কর্মশালা মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের কৃষি বিষয়ে আগ্রহ ও বজ্রপাত সচেতনতায় আলোচনা সভা নগরকান্দায় পুড়াপারা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির পদত্যাগ

ভয়াবহ সংঘর্ষ পাকিস্তানে নিহত ১২৪

  • রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৩১০ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ শিয়া ও সুন্নি গোত্রের মধ্যে চলমান সংঘাতে গত ১০ দিনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৪ জনে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কুররাম জেলায়। এই সহিংসতায় আহত হয়েছেন আরও ১৫১ জন। ৩০ নভেম্বর, শনিবার জিও নিউজ জানায়, দুপক্ষ সম্প্রতি সংঘর্ষ-বিরতির ঘোষণা দিলেও তাতে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। সংঘর্ষ-বিরতির পরও সহিংসতা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

প্রশাসনের তথ্যে, সংঘর্ষের কারণে পেশোয়ার-পারাচিনার মহাসড়ক এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং বাণিজ্য কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। পাশাপাশি, খারলাচি সীমান্ত দিয়ে আফগানিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্যও বন্ধ হয়ে গেছে। গত ২১ নভেম্বর দুইটি গাড়িবহরে বন্দুক হামলার পর সহিংসতা নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে। ওই হামলায় ৫২ জন নিহত হন। এরপর থেকে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ বেড়েই চলছে। নিহতদের মধ্যে ৯০ জন শিয়া ও ৩০ জন সুন্নি বলে জানিয়েছে এএফপি।

ইন্টারনেট ও মোবাইল সেবা স্থগিত থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যও স্থবির হয়ে পড়েছে। সংঘর্ষ বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জ্যেষ্ঠ নেতারা জিরপার মাধ্যমে সংঘর্ষ-বিরতির উদ্যোগ নিয়েছেন। তবে বিচ্ছিন্ন সহিংসতার কারণে এই প্রচেষ্টা এখনও পুরোপুরি সফল হয়নি।

কুররামের উপকমিশনার জাভেদুল্লাহ মেহসুদ জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংঘর্ষ-বিরতি কার্যকর করে দ্রুত এলাকার স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে, তবে স্থানীয় বাসিন্দারা এখনও শাস্তি ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews