1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের অন্তর্গত বাঘাইছড়ি উপজেলার ৫৭ জন রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ মহালছড়িতে অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত! সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী মাসালং এ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় ইউপিডিএফ এর বাধা! জনগণের কল্যাণে সবার সহযোগিতা কাম্য শালিখায় গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে কর্মশালা মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের কৃষি বিষয়ে আগ্রহ ও বজ্রপাত সচেতনতায় আলোচনা সভা নগরকান্দায় পুড়াপারা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির পদত্যাগ

বড় বিপদ হতে পারে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে না সরালে

  • শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৮৭ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ সান্ধ্য আইন জারি করে বিপদে পড়ে গেলেন দক্ষিণ কোরিয়ান প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। তিনি যদি ক্ষমতায় থাকেন, তাহলে দক্ষিণ কোরীয়রা বড় ধরনের বিপদের মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার শাসক দলের প্রধান। তিনি অবিলম্বে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। খবর বিবিসির। পিপলস পাওয়ার পার্টি (পিপিপি)-এর নেতা হান দুং-হুন শুক্রবার এক জরুরি বৈঠকে বলেছেন, তার দল বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পেয়েছে যে মঙ্গলবার রাতে সামরিক আইন জারি করার সময় প্রেসিডেন্ট ইউন গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিবিদদের রাষ্ট্রবিরোধিতার অভিযোগে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

শুক্রবার হান যা বলেন, তা তার পূর্বের অবস্থান থেকে একেবারে ভিন্ন। কারণ এর আগে তিনি বলেছিলেন যে তার দল বিরোধী দলের অভিশংসন প্রস্তাব আটকে দেবে। দেশটির বিরোধীরা গত বুধবার সংসদে ওই অভিশংসন প্রত্যাব পেশ করেছিল। তবে সেই অভিশংসন প্রস্তাব পাস করতে বিরোধীদের অন্তত আটজন শাসক দলের সংসদ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মঙ্গলবার রাতে প্রেসিডেন্ট ইউন যখন ‘সমস্যা তৈরি করছে এমন রাষ্ট্র বিরোধী শক্তিকে ধ্বংস করার জন্য’ সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেন, তখন পুরো দেশ হতবাক হয়ে যায়। কিন্তু দ্রুতই এটি স্পষ্ট হয়ে যায় যে কোরিয়ার প্রতি বাইরের কোনো হুমকি নয়, বরং নিজেদের রাজনৈতিক সংকটই ছিল তার এই পদক্ষেপ গ্রহণের মূল কারণ। এরপর পরবর্তী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১৯০ জন সংসদ সদস্য দ্রুত সংসদে ঢুকে ভোট দিয়ে সামরিক আইন বাতিল করেন। এ সময় কিছু সংসদ সদস্যকে সংসদে প্রবেশ করার জন্য বেষ্টনি টপকাতে ও ব্যারিকেড ভাঙতেও দেখা যায়।

শুক্রবার হান উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে. ইউন ক্ষমতায় থাকলে তিনি ফের সামরিক আইন জারি করার মতো চরম পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। তিনি বলেন, এসব কর্মকাণ্ড কোরিয়া ও কোরিয়ার নাগরিকদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।

হান আরও জানান, তাদের দল জানতে পেরেছে যে গ্রেপ্তারকৃত বিরোধী রাজনীতিবিদদের দেশটির রাজধানী সওলের দক্ষিণে গওয়াচনের একটি ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি রাখার পরিকল্পনা ছিল।

অর্থাৎ, প্রস্তাব পাস করার জন্য তাদের শাসক দল থেকে মাত্র আটজনের ভোট প্রয়োজন। এমনিতে শাসক দলের সংসদ সদস্যের সংখ্যা ১০৮ জন। সামরিক শাসন জারির চেষ্টা করার আগে থেকেই প্রেসিডেন্ট ইউন অজনপ্রিয়। দুর্নীতির অভিযোগ ও বিরোধী-নিয়ন্ত্রিত সংসদের কারণে কার্যত একপ্রকার অচলাবস্থার মধ্যে ছিলেন তিনি।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews