1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের অন্তর্গত বাঘাইছড়ি উপজেলার ৫৭ জন রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ মহালছড়িতে অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত! সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী মাসালং এ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় ইউপিডিএফ এর বাধা! জনগণের কল্যাণে সবার সহযোগিতা কাম্য শালিখায় গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে কর্মশালা মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের কৃষি বিষয়ে আগ্রহ ও বজ্রপাত সচেতনতায় আলোচনা সভা নগরকান্দায় পুড়াপারা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির পদত্যাগ

হাসিনা ইস্যুতে ভারত কি একঘরে হয়ে পড়ছে

  • রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৩২২ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ বিপদে কারো পাশে দাঁড়ানো বা তাকে সহযোতিা করা মন্দ বা পাপকাজ নয়। তবে তার উদ্দেশ্য যদি নেতিবাচক হয়, তার পরিণামও নেতিবাচক হয়। আসলে বিষয়টি কি তেমনই আভাস দিচ্ছে ভারতকে?

বিপদে পড়ে আশ্রয় চাইলেন শেখ হাসিনা। আশ্রয় দিল ভারত। মূলতঃ সাময়িক আশ্রয় চেয়ে দিল্লীর কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন ঢাকার শেখ হাসিনা। অতশত ভাবাভাবি না করে আশ্রয় দিল দিল্লী। এখন খুব জটিল সমস্যায় পড়ে গেল ভারত। এমনটিই খবর মিলছে বিভিন্ন মহলের খবর থেকে।

শেখ হাসিনার জন্য তদবির দরবার করেও কোন সফলতার মুখ দেখতে পারেনি আজো ভারত। শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে রাজি হচ্ছে না কোনদেশ। অবশ্যই এটি একটি জটিল সঙ্কট ভারতের জন্য।

পশ্চিমা দুনিয়া থেকে বিচ্ছন্ন শেখ হাসিনা। দেশে সংঘাত সৃষ্টির সময়েই তারা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে শেখ হাসিনা থেকে। ইউরোপেরও নেই কোন ইতিবাচক সাড়া। নীতিগতভাবে ভারতেও আর বেশিকাল থাকার যৌক্তিকতা নেই শেখ হাসিনার। তারপরও ভারত তাকে ছাড় দিতে রাজি। কিন্তু সমস্যা অন্য কোথাও। এতে ভারতের মিত্র দেশগুলো অখুশি হতে। পারে বলে প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

এমতাবস্থায় ভারত-যুক্তরাষ্ট-চীন ত্রিপাক্ষিক সম্পর্কে কি প্রভাব ফেলে সেটাই দেখার বিষয়। হেনরি কিসিঞ্জার একবার বলেছিলেন, আমেরিকার শত্রু হওয়া বিপজ্জনক হতে পারে, কিন্তু আমেরিকার বন্ধু হওয়া ভয়াবহ।’ কথাগুলো ভারতের জন্য পুরোপুরি মানানসই বলে মনে হচ্ছে।

এদিকে চীনা পণ্যের ওপর ভারত মুখে মুখে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার কথা বললেও চীনের সঙ্গে তার বাণিজ্য বেড়েছে এতোদিন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বাড়তি যে বাণিজ্য তা মূলত চীন থেকে করা আমদানির ওপর নির্ভরশীল। ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য চীনের প্রয়োজন থাকলেও চীনের ভারতের ওপর এমন কোনো নির্ভরতা নেই। শেষ পর্যন্ত চার বছর পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মোদি সরকার বুঝতে পেরেছে যে ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য চীনের সহযোগিতা অপরিহার্য। কিন্তু হাসিনা ইস্যুতে যদি সম্পর্ক খারাপ হয়, তবে কোন পথে হাটবে ভারত?

চীনের কারণে ভারতও কিন্তু রাশিয়ার উপর পুরপুরি নির্ভরশীল হতে চায় না। ভারত মনে করে, চীনের দিক থেকে চ্যালেঞ্জ বাড়তে পারে, সে ক্ষেত্রে তাদের অন্য অংশীদার থাকা জরুরি। ভারতের বিরুদ্ধে চীনের আগ্রাসনকে রাশিয়া কতটা সমর্থন করবে সে বিষয়ে ভারত নিজেকে আশ্বস্ত করতে পারছে না। এমন পরিস্থিতিতে হাসিনা ইস্যু নতুন করে ভাবাচ্ছে। ভারতকে। সার্বিক দিক বিবেচনায় পরিস্থিতি এমন দাড়িয়েছে যে, বিশ্ব বাজার থেকে ভারত একঘরে হয়ে যাচ্ছে না তো?

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews