1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে বৈসাবি মেলার সমাপনী দিনে জোন অধিনায়কের সম্প্রীতির বার্তা ও আর্থিক উপহার প্রদান মহালছড়িতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ (বৈশাখী) উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নগরকান্দা ও সালথায় বাংলা বর্ষ বরণ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের নববর্ষ বরণ মহালছড়িতে ঐতিহ্যবাহী মাতাই পুখরী তীর্থ মেলা ১৪৩৩ বাংলা যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নগরকান্দা প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত, বাগেরহাট মোংলা ও সুন্দরবনে দুইদিন শালিখায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী ফুলবিঝুর মধ্যে দিয়ে মহালছড়িতে তিন দিন ব্যাপি বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসু’র আনুষ্ঠানিকতা শুরু

ওপার বাংলার কবি প্রবীর কুমার চৌধুরীর একগুচ্ছ কবিতা

  • শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৯৬ গননা করুন

পরিচয়পঞ্জীঃ

১৯৬১ সালের মে মাসে কলকাতার বরাহনগরে জন্ম হয় কবি প্রবীর চৌধুরীর। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক। পেশায় তিনি অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মচারী। বর্তমানে তিনি কলকাতা গড়িয়ার একটি যৌথ পরিবারের প্রধান।কেজো পৃথিবী থেকে মুক্তি পাওয়ার অভিলাষে নাটক, গান,  আবৃত্তি ও সাহিত্যচর্চা করে সময় পার কছেন। কখনও নিঃস্ব বাউলের মতো একতারায় বেজে ওঠা উদাসী গলায়। আবার কখনও অধরা মধুরীতে ছন্দবন্ধনের খেলায় মেতে ওঠা প্রতিবাদের কবিতায়। দুইবাংলা থেকে বিভিন্ন সাম্মানিক পুরস্কার প্রাপ্তি আছে এই প্রতিভাবান কবির । ২০১৭ সালে বিশ্ববঙ্গ বাংলা সাহিত্য একাডেমি থেকে কাব্যভারতী ও কাব্যশ্রী সম্মাননা, ২০১৯ এ হাইকু প্রভাকর সম্মাননা এবং ২০২০ সালে কলম সৈনিক কাব্যসুধা ও ভাষাসরিৎ কবিশ্ৰী সম্মাননা । ২০২২ সালে কবি শঙ্খ ঘোষ স্মৃতি পুরস্কার লাভ । বর্তমানে চারিটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত:- ১। বেলা আবেলার গদ্য ও পদ্যের কাব্য, ২। শুধু বুকের মাঝে থাকিস, ৩। আরও একবার ফিরে আসতে চাই, ৪। ভাঙ্গা পিঞ্জর এবং ৫। প্রতিবাদীনি ( গল্প সংকলন ), এ ছাড়াও বহু যৌথ কাব্য সংকলনে তার উজ্জ্বল উপস্থিতি। প্রিয় গান – রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, ক্লাসিকাল, ঠুমরি, প্রিয় অসুখ – মন খারাপ, প্রিয় সুখ – স্মৃতিচারণ আর প্রিয় নেশা – ভালোবাসা।

 

১। বর্ণিল

 

তোমার বাড়ির পথে উজ্জ্বল একঝাঁক পায়রা

শুধু ভয় পায় বড্ড উৎশৃঙ্খল তেমনি  বেহারা

এত যে ডাকি কেমন পাখি  কানে কথা শোনে না

ভালোবাসা ছাড়া আর কিছু নেই ওকি জানেনা ?

 

এত বড় আকাশ  নীল – নীলিমায় সীমাহীন

পেঁজা তুলো ওড়ে তবুও মন কেন দিশাহীন

এত যে শিহরন জীবনকে তাই কি ভালো লাগে

বিবর্ণ হতে দিও না এই  সকাল রঙ ভর ফাগে।

ওই রাঙা ঠোঁটে এতযে প্রেম উপছায়

ফিরিয়ে দিও না দ্বারে বসন্ত স্বেচ্ছায়।

 

২।  মিলে মিলে অন্ত্যমিল

 

বুকে প্রেম বয়ে

কেমন করে/ডাকব তারে কেমনে বলি কত আপন

চোখে হারাই/মনটা ভরাই রাত জেগে আজ যাপন

কিযে মায়া/শূন্য  হিয়া স্বপ্ন দেখে করি অনুলেপণ।

এ খেলাঘরে/ থাকি আতান্তরে রিক্ত তবু মুক্ত মন

ফিরে আসি/ ভালো যে বাসি , বড় প্রিয় স্বজন।

কিছু দেইনি /আমিও চাইনি থেকেছি শুধু পথ চেয়ে

আকাশে , আকাশে/বাতাসে ,বাতাসে বেঁচে আছি ঘ্রাণ নিয়ে

আমি সাজাই / আসি আর যাই প্রেম বুকে বয়ে।

 

৩।  যা রইবে পড়ে

 

রাত গভীর/সময় স্থবির বিষন্নতায় ঘিরে ধরে মন

এত রঙিন/সময়  সঙ্গিন  বৃথা খুঁজে ফেরো রতন

শুধু স্বার্থ /কর্মে ব্যর্থ শূন্যতা ঘিরে নিষ্ফল স্বপন ।

 

আজ মলে/চিতায় তোলে কর্মই রয়ে যায় চিরন্তন

কি ভাবে/ লোভে ডোবে করে  যায় পাপ মন্থন ।

 

এ খেলাঘরে/কাদি অঝোরে কেটে যায় বৃথা বেলা

কে কার/যে যার  আঁখের গোছাতে শুধু ছলাকলা

এত হাসি/কালই বাসি  কেউটে খেয়ে যায় দুধকলা।

 

৪।  বেকুব

 

আমারও বুকে ব্যথা কিছু অন্যকথা

হিংসার পাথরে ভীতি লুকিয়ে মুখ ঢাকা

এক দুপুর পেট ভর্তি কেবল খিদে –

তবুও অচেতন  ভরপুর ভুলছে নিদে

বাঁধাচুল খুলে মত্ত শ্লেষের মাদকতা।

 

এতো দ্বেষ তাকি  বিধ্বংসী ব্যর্থতা

এতো অন্যায় হয়তো মৃত্যুর সতর্কতা

নিশান দুপায়ে দলে পরোক্ষে  দুর্জন

বৈভবহীন পরমুখাপেক্ষী বোঝেনা সেজন

মুখোশে ঢেকে মুখ সাজাচ্ছে পরাধীনতা।

 

অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রখর দেশ খুঁড়ে  করে ক্ষত

দিশাহীন বিভ্রান্ত নিজেকেই করে আহত

অনভিপ্রেত বিভাজনে  লিপ্ত বিবেক ছাঁটে

এখনো কালীদাস নিজের ডাল নিজে কাটে

“মূর্খের স্বর্গ বাস ” কবে ফিরবে সতর্কতা?

 

৬।  হারায়ে খুঁজি

 

তুমিই তো সে স্বজন রাখোনি একা

যার হাত ধরেই এসেছি এতো পথ

আজ কোথায় ছলনায় লুকালে সখা

কেন শুনি অচেনা মুখে নানান মত!

 

দুস্তর লাগে কেন যে পথ চিনি

কেন কঠিন অন্ধকারে ছেয়েছে

শ্বাপদের ক্রুর দৃষ্টির শুধু হাতছানি

সময়  দেখি শবের মালা পড়েছে?

 

জেগে আছি একা ভীষণ অসময়

শূন্যতা শুধু দেখায় কেবলি দুস্বপন

কোথায় বন্ধু, কে দেবে আজ অভয়

চতুর্দিকে দেখি বৈরিতার বীজ বপন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews