1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের অন্তর্গত বাঘাইছড়ি উপজেলার ৫৭ জন রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ মহালছড়িতে অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত! সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী মাসালং এ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় ইউপিডিএফ এর বাধা! জনগণের কল্যাণে সবার সহযোগিতা কাম্য শালিখায় গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে কর্মশালা মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের কৃষি বিষয়ে আগ্রহ ও বজ্রপাত সচেতনতায় আলোচনা সভা নগরকান্দায় পুড়াপারা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির পদত্যাগ

রোদে শীত কমলেও রাতে বাড়ে তীব্রতা

  • শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৩২ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ শৈত্যপ্রবাহ কেটে যাওয়ার পর দুই দিন ধরে ১০ ডিগ্রির ওপরে উঠেছে তাপমাত্রা। সকালে রোদ উঠে যাওয়ায় কমেছে কনকনে শীতের তীব্রতা। তবে সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত অব্যাহত থাকছে শীতের দাপট। ২০ ডিসেম্বর, শুক্রবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোর ৬টায় রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ১৩ থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পর দুই দিন ধরে ১০ ডিগ্রির ওপরে তাপমাত্রা রেকর্ডে কমেছে কিছুটা শীতের তীব্রতা।

দেখা যায়, শীতের প্রকোপ থাকলেও কুয়াশাহীন ভোরে রোদ ছড়াচ্ছে সূর্য। বেলা বাড়তে থাকলে কমে যেতে থাকে শীতের মাত্রা। ফলে জনজীবনে কর্মচাঞ্চল্য দেখা মিলছে সকাল থেকেই। সকালেই দেখা গেছে চা বাগানে শ্রমিকদের পীতা তুলতে। পাথর শ্রমিকদের কাজে যেতে। আলু ও গম রোপণের মৌসুমে ক্ষেত তৈরিতে ব্যস্ততা সময় পার করছেন চাষিরা। সকালে চা শ্রমিক জামাল ও নাসির বলেন, সকালে রোদ থাকায় শীতের মাত্রা কিছুটা কমেছে। তবে ভোরের শিশিরের কারণে চা পাতাগুলো তুলতে গেলে হাত-পা অবশ হয়ে আসে। পাথর শ্রমিক কামালসহ কয়েকজন বলেন, সকালে রোদ উঠে যাওয়ায় কাজে যেতে অসুবিধা হচ্ছে না। তবে নদীতে পাথর তুলতে গেলে নদীর পানি বরফের মতো লাগে। দিনভর পাথর তুলে রাতে সর্দি-কাশি এমনকি জ্বরও এসে যায়। কিন্তু কী করবো, পরিবারের কথা চিন্তা করেই বরফগলা নদীতে নেমে পাথর তুলতে হয়। ভোরেই ঝকঝকে আকাশে দেখা মেলে সূর্য। যার কারণে সকালে শীতের মাত্রা কমে যায়। তাপমাত্রা যেন জিরোতে নেমে আসে রাতে। রাতভর অনুভূত হয় বরফের শীত। বরফ হয়ে ওঠে ঘরের বিছানা, ঘরের ফ্লোর থেকে সব আসবাবপত্র। শীতবস্ত্রের অভাবে হতদরিদ্র মানুষগুলো পোহাচ্ছে দুর্ভোগ।

শীতের কারণে বেড়েছে জ্বর, সর্দি, ডায়েরিয়া, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগ ব্যাধি। প্রতিদিনই জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগে বেড়েছে রোগীর সংখ্যা। যারা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তারাই কেবল হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। চিকিৎসকরা চিকিৎসার পাশাপাশি শীতে সুরক্ষা থাকতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, দুই দিন ধরে তাপমাত্রা বেড়েছে। শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ১৩ থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পর দুই দিন ধরে ১০ ডিগ্রির ওপরে তাপমাত্রা রেকর্ডে কমেছে কিছুটা শীতের তীব্রতা।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews