একতা ডেস্কঃ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় আশুলিয়ায় ছয়জনের মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে দুই পুলিশ সদস্য। তারা হলেন, আশুলিয়া থানার এস আই মালেক ও কনস্টেবল মুকুল। কিশোরগঞ্জ থেকে এস আই মালেককে এবং কনস্টেবল মুকুলকে নবাবগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত এএসআই বিশ্বজিৎ রায় পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। কনস্টেবল মুকুলের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার আহম্মদ মুঈদ।
লাশ পোড়ানোর ঘটনায় গত মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্য ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম ও চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সেই সঙ্গে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে আশুলিয়া থানার কনস্টেবল মুকুল ও এসআই মালেক ছিলেন। নগত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে আন্দোলনকারীরা বিজয় মিছিল নিয়ে আশুলিয়া থানার দিকে অগ্রসর হন। সে সময় পুলিশ নির্বিচারে গুলি করে ৬ জনকে হত্যা করে। পরে লাশ ভ্যানে তুলে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। গত ৩০ আগস্ট যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হওয়া একটি ভিডিওতে ভ্যানে লাশের স্তূপ করে পরে তা থানার পাশে পুলিশের একটি গাড়িতে স্থানান্তরের পর পেট্রোল দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা প্রকাশ হয়।

Leave a Reply