একতা ডেস্কঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বুধবার আমরা সংবাদপত্রে দেখেছি যে, শেখ হাসিনা এবং তার দোসরদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি চাওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। এই নথি চাওয়ার পরেই গভীর রাতে সচিবালয়ে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এতে জনগণের মধ্যে বিরাট প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে একেবারে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ একজন ব্যক্তিকে দিয়ে তদন্ত করা উচিত। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এক আলোচনাসভায় রিজভী এসব কথা বলেন।
রাজধানীর সেগুন বাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ন্যাশনালিস্ট এক্স স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ‘২২ ডিসেম্বর: রক্তাক্ত মতিহার ও রিজভী আহমেদ’ শীর্ষক এ আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। সভাপতি পটুয়াখালীর করিম মৃধা কলেজের অধ্যক্ষ বাহাউদ্দিন বাহারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মো. মোকাম্মেল কবীরের পরিচালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ। রিজভী বলেন, আমরা এর আগে দেখেছি, যখন কোনো সচিব বা মন্ত্রীর বিরুদ্ধে জনগণের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ আসে, তখনই ফাইল গায়েব হয়ে যায়, সচিবালয়ের ভেতরে আগুন ধরে।
রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা একটি ‘রাজকীয় দল’ গঠনের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। তিনি বলেন, আমরা শুনছি যে, একটা রাজকীয় দল করার নাকি চেষ্টা করা হচ্ছে। কিংস পার্টি যেটিকে বলা হয়। একটা নতুন আইন পাস করা হয়েছে- জাতীয় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৪। এটি কারা পাস করেছেন? অধিকার নিয়ে যারা কাজ করেছেন, এই ধরনের উপদেষ্টাগণ, ছাত্রনেতারা-যারা জুলাই আন্দোলনে ছিলেন। আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হয় তাদের হাত দিয়ে কি করে এই বিপজ্জনক আইনটি পাস করা হলো। এই আইন এজেন্সি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অস্পষ্ট ও বিস্তৃত ক্ষমতা প্রদান করেছে। এটা তো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এক্সটেনশন বলে মনে হচ্ছে আমার কাছে।
Leave a Reply