1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে বৈসাবি মেলার সমাপনী দিনে জোন অধিনায়কের সম্প্রীতির বার্তা ও আর্থিক উপহার প্রদান মহালছড়িতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ (বৈশাখী) উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নগরকান্দা ও সালথায় বাংলা বর্ষ বরণ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের নববর্ষ বরণ মহালছড়িতে ঐতিহ্যবাহী মাতাই পুখরী তীর্থ মেলা ১৪৩৩ বাংলা যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নগরকান্দা প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত, বাগেরহাট মোংলা ও সুন্দরবনে দুইদিন শালিখায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী ফুলবিঝুর মধ্যে দিয়ে মহালছড়িতে তিন দিন ব্যাপি বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসু’র আনুষ্ঠানিকতা শুরু

বিলুপ্ত প্রজাতির লাল গোরাল উদ্ধার সিলেটে

  • রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৩৯ গননা করুন
বিলুপ্ত প্রজাতির হরিণ শ্রেণির লাল গোরাল।
বিলুপ্ত প্রজাতির হরিণ শ্রেণির লাল গোরাল।

একতা ডেস্কঃ বিলুপ্ত প্রজাতির হরিণ শ্রেণির লাল গোরাল সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় ধরা পড়েছে। স্থানীয় লোকজন এটিকে সাম্বা হরিণ দাবি করলেও প্রাণিবিদরা এটিকে লাল গোরাল বলে শনাক্ত করেছেন। ভারতের পাহাড়ি বন থেকে গতকাল সকালে পানি খেতে এসেছিল এটি। স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়ে এটি ধরে ফেলে। পরে বন বিভাগের সহযোগিতায় লোভাছড়া চা বাগান সংলগ্ন বনে উন্মুক্ত করা হয়। গতকাল শনিবার সকাল ৭টার দিকে পানি খেতে ভারত সীমান্তবর্তী কানাইঘাট উপজেলার বড়গ্রামে নেমে আসে লাল গোরালটি। স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়ে সেটিকে ধরতে তাড়া করে। প্রায় দুই কিলোমিটার তাড়া করে নেহালপুরের আসামপাড়ায় সেটিকে ধরে ফেলে তারা। পরে কয়েকজন সেটিকে প্রথমে লোভাছড়া চা বাগান পরিচালনায় যুক্ত বন্য প্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ের সংগঠক ইউসুফ জামিলের কাছে নিয়ে যায়। পরে বন বিভাগকে খবর দিলে বন বিভাগের বিট কর্মকর্তা মো. আলী আক্তারুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি টিম এসে সেটিকে লোভাছড়া বাগান সংলগ্ন বনে উন্মুক্ত করে দেয়। বিট কর্মকর্তা মোঃ আলী আক্তারুল হক চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, স্থানীয়দের উপস্থিতিতে সেটিকে আমরা লোভাছড়া চা বাগান সংলগ্ন লোভাছড়া ফরেস্ট এরিয়ায় উন্মুক্ত করে দিয়েছি।

বনের এই অংশটা সবচেয়ে সুরক্ষিত। বিলুপ্ত প্রজাতির এই হরিণ সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, এই হরিণের কাঠামো ঠিক সাম্বার মতো নয়। তাই একে বন হরিণ বলা ভালো। তবে এটিও বিলুপ্ত প্রজাতির। হরীতকী, বহেরা, আমলকী, এমন ধরনের টক জাতীয় খাবার খায়। টমেটো খায়। এই খাবারের জন্যই হয়তো লোকালয়ে এসেছিল।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews