একতা ডেস্কঃ জাতীয় নির্বাচনের পরপরই অচলাবস্থার দিকে ধাবিত হতে থাকে ফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতি। এ অবস্থা নিরসনের জন্য অনাস্থা ভোটের আয়োজন করে দেশটি। পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে অনাস্থা ভোটে হলে তাতে হেরে গেছেন ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী মিশেল বার্নিয়ে। ফলে সরকারপ্রধানের পদে নিয়োগ পাওয়ার মাস তিনেকের মাথায় সরে যেতে হচ্ছে তাঁকে।
চাপে ছিল মিশেল বার্নিয়ের সরকার। দেশের পরবর্তী জাতীয় বাজেট পাস করানো নিয়ে এ সংকট আরও জটিল হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিরোধী আইনপ্রণেতারা সরকারের বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে অনাস্থা প্রস্তাব তোলেন। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবারের ভোটাভুটিতে পার্লামেন্টের ৫৭৭ সদস্যের নিম্নকক্ষে ৩৩১ জন আইনপ্রণেতা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে তাঁদের মত জানিয়ে দেন। ফ্রান্সের ইতিহাসে পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে হেরে সরকার পতনের সর্বশেষ ঘটনা ঘটেছিল ১৯৬২ সালে। এরপর এবার বিদায় নিতে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী বার্নিয়েকে।
গত সেপ্টেম্বরে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী পদে ৭৩ বছর বয়সী মিশেল বার্নিয়েকে নিয়োগ দেন প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। বার্নিয়ে দেশটির বর্ষীয়ান রাজনীতিক। তিনি ব্রেক্সিট বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রধান মধ্যস্থতাকারী ছিলেন। এলিসি প্রাসাদ জানিয়েছে, সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রেসিডেন্ট মাখোঁ।

Leave a Reply