1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের অন্তর্গত বাঘাইছড়ি উপজেলার ৫৭ জন রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ মহালছড়িতে অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত! সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী মাসালং এ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় ইউপিডিএফ এর বাধা! জনগণের কল্যাণে সবার সহযোগিতা কাম্য শালিখায় গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে কর্মশালা মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের কৃষি বিষয়ে আগ্রহ ও বজ্রপাত সচেতনতায় আলোচনা সভা নগরকান্দায় পুড়াপারা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির পদত্যাগ

অবহেলিত জনপদের নাম শালিখার দীঘলগ্রাম

  • শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৬৯ গননা করুন

সোহাগ সন্ধিঃ মাগুরা জেলার শালিখার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি অবহেলিত জনপদের নাম দীঘলগ্রাম। গ্রামটি শালিখা সদর আড়পাড়া থেকে আট, নয় কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। আড়পাড়া টু কালীবাড়ি রোডের সাথে অবস্থিত গ্রামটির পশ্চিমপাড়ায় গ্রামের মধ্য দিয়ে যাওয়া প্রায় আধা কিলোমিটার দৈর্ঘ্য একটি কাঁচা রাস্তা রয়েছে।

সারাদেশের রাস্তাঘাট অত্যাধিক আধুনিকতার ছোঁয়া পেলেও এখনও সে ছোঁয়ার বাইরে অবস্থান করছে দীঘলগ্রামের এ রাস্তাটি। বর্ষা মৌসুমে হাঁটু সমান কাদায় চলতে পারে না গ্রামের চাষিদের পণ্য বহনের কাজ। এ রাস্তার দুই পাশ দিয়ে রয়েছে দেড় শতাধিক চাষি পরিবার। কেবল এই অনুন্নত কাদামাটির রাস্তার কারণে ব্যহত হয় তাদের চাষ প্রণালী।

এ রাস্তার দুইপাশে বসবাসকারী চাষিরা বলেন তাদের এই রাস্তাটি মানুষের চলাচলের উপযোগী করে তোলা অত্যন্ত জরুরী।

একজন চাষি অসিত সরকার বলেন, বর্ষার সময় হাঁটু সমান কাদার মধ্য দিয়ে সারের বস্তা নিয়ে মাঠে যাওয়া, ধানের বস্তা নিয়ে হাঁটে যাওয়া, এ দুটোই আমাদের জন্য বিপদ হয়ে পড়ে। কবে যে রাস্তাটি চলার যোগ্য হবে!

মধূসূদন বিশ্বাস বলেন, এ রাস্তাটি পাকা করা দরকারই। না হলে আমরা এত বিপদে আছি, তা বলার মতো না।

গ্রাম সমিতির কর্মী স্বপ্না বিশ্বাস বলেন, আর বইলেন না। যে বিপদে আছি, তা কারো কাছে বলেও লাভ নেই। বললাম তো আর কম না! কিছুই তো হলো না। হাঁটু সমান কাদার মধ্য দিয়ে এপাড়া ওপাড়া সমিতির কাজ করে বেড়াই। হাউ মাউ করে কান্না আসে। কিন্তু কিছু করার নেই।

গ্রাবাসীদের কথায় এবং রাস্তার শ্রী চেহারা দেখে বোঝা গেল তাদের মনের আকৃতি কতটা যথাযথ। গ্রামবাসী অতি দ্রুত রাস্তাটির উন্নয়ন দাবি করছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews