1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ির ২টি বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন শেষে আর্থিক অনুদান ও গাছের চারা উপহার প্রদান করেছেন মহালছড়ি জোন অধিনায়ক মহালছড়ি ধুমনীঘাটে দুই শতাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করল মহালছড়ি সেনা জোন মহালছড়িতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা-২০২৬-২৭ (সিজন-২) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে চোংড়াছড়ি শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন জোন অধিনায়ক সংসদ ভবন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ সীমান্তের ওপার থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী জানা গেল এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের তারিখ আর্জেন্টিনার রেকর্ড ভাঙল ব্রাজিল, এক ম্যাচে ৫৩ জনকে লাল কার্ড নগরকান্দায় দুই ব্যবসায়ীকে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত মহালছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

অবহেলিত জনপদের নাম শালিখার দীঘলগ্রাম

  • শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৮৩ গননা করুন

সোহাগ সন্ধিঃ মাগুরা জেলার শালিখার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি অবহেলিত জনপদের নাম দীঘলগ্রাম। গ্রামটি শালিখা সদর আড়পাড়া থেকে আট, নয় কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। আড়পাড়া টু কালীবাড়ি রোডের সাথে অবস্থিত গ্রামটির পশ্চিমপাড়ায় গ্রামের মধ্য দিয়ে যাওয়া প্রায় আধা কিলোমিটার দৈর্ঘ্য একটি কাঁচা রাস্তা রয়েছে।

সারাদেশের রাস্তাঘাট অত্যাধিক আধুনিকতার ছোঁয়া পেলেও এখনও সে ছোঁয়ার বাইরে অবস্থান করছে দীঘলগ্রামের এ রাস্তাটি। বর্ষা মৌসুমে হাঁটু সমান কাদায় চলতে পারে না গ্রামের চাষিদের পণ্য বহনের কাজ। এ রাস্তার দুই পাশ দিয়ে রয়েছে দেড় শতাধিক চাষি পরিবার। কেবল এই অনুন্নত কাদামাটির রাস্তার কারণে ব্যহত হয় তাদের চাষ প্রণালী।

এ রাস্তার দুইপাশে বসবাসকারী চাষিরা বলেন তাদের এই রাস্তাটি মানুষের চলাচলের উপযোগী করে তোলা অত্যন্ত জরুরী।

একজন চাষি অসিত সরকার বলেন, বর্ষার সময় হাঁটু সমান কাদার মধ্য দিয়ে সারের বস্তা নিয়ে মাঠে যাওয়া, ধানের বস্তা নিয়ে হাঁটে যাওয়া, এ দুটোই আমাদের জন্য বিপদ হয়ে পড়ে। কবে যে রাস্তাটি চলার যোগ্য হবে!

মধূসূদন বিশ্বাস বলেন, এ রাস্তাটি পাকা করা দরকারই। না হলে আমরা এত বিপদে আছি, তা বলার মতো না।

গ্রাম সমিতির কর্মী স্বপ্না বিশ্বাস বলেন, আর বইলেন না। যে বিপদে আছি, তা কারো কাছে বলেও লাভ নেই। বললাম তো আর কম না! কিছুই তো হলো না। হাঁটু সমান কাদার মধ্য দিয়ে এপাড়া ওপাড়া সমিতির কাজ করে বেড়াই। হাউ মাউ করে কান্না আসে। কিন্তু কিছু করার নেই।

গ্রাবাসীদের কথায় এবং রাস্তার শ্রী চেহারা দেখে বোঝা গেল তাদের মনের আকৃতি কতটা যথাযথ। গ্রামবাসী অতি দ্রুত রাস্তাটির উন্নয়ন দাবি করছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews