একতা ডেস্কঃ প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ কত হবে তা কেউ নির্ধারণ করে দেয়নি বলে বলছেন। তিনি বলছেন অনেকেই তাকে দীর্ঘসময়ের জন্য চান। তিনি বলেছেন, কেউ তাকে ৫, কেউ ১০ এমনকি কেউ তাকে ৫০ বছরও জন্য চান।
নির্বাচনের চেয়ে তাদের কাছে বড় গুরুত্বের বিষয় সুশাসন, এমনটাই বলেছেন ইউনূস। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফরের সময় অধিবেশনের ফাঁকে ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম জেটেওর মেহদি হাসানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে নির্বাচন ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। এর একটা বড় অংশজুড়ে ছিল শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গও। আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দল নিষিদ্ধ নয়। কার্যক্রম নিষিদ্ধ। তবে নির্বাচনে তারা অংশ নিতে পারবে না।
তিনি বলেন, আমাদের কত দিন থাকতে হবে, তা কেউ নির্ধারণ করে দেয়নি। নির্বাচন দিতে দেরি হচ্ছে কেন?- জেটেওর মেহদি হাসানের এ প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে একপর্যায়ে এ কথা বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।
সাক্ষাৎকারে জুলাই গণঅভ্যুত্থান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেয়া, শেখ হাসিনাকে ভারতের আশ্রয়, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা, নির্বাচনসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন মুহাম্মদ ইউনূস।
‘নেপালে, যেখানে এই বছরে কিছুদিন আগে সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে, সেখানকার অন্তর্বর্তী নেতা মাত্র ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বাংলাদেশের একটি নির্বাচনের জন্য কেন ১৮ মাস লাগছে বা লাগবে? মেহদি হাসানের এমন প্রশ্নের ইউনূস বলেন, এমন মানুষও আছে, যারা বলছে ৫ বছর থাকুন, ১০ বছর থাকুন, ৫০ বছর থাকুন। সুতরাং মানুষ সব ধরনের কথা বলছে।
আমরা (তত্ত্বাবধায়ক সরকার) নই। আমরা অন্তর্বর্তী সরকার। আমাদের কত দিন থাকতে হবে, তা কেউ নির্ধারণ করে দেয়নি।
আমরা কত দিন থাকব, সেটা আমাদের সিদ্ধান্ত। তবে আমাদের বোঝাপড়া আছে যে আমাদের তিনটি কাজ রয়েছে। একটি হলো সংস্কার, অন্যটি বিচার ও শেষটি হলো নির্বাচন।
Leave a Reply