1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে বৈসাবি মেলার সমাপনী দিনে জোন অধিনায়কের সম্প্রীতির বার্তা ও আর্থিক উপহার প্রদান মহালছড়িতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ (বৈশাখী) উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নগরকান্দা ও সালথায় বাংলা বর্ষ বরণ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের নববর্ষ বরণ মহালছড়িতে ঐতিহ্যবাহী মাতাই পুখরী তীর্থ মেলা ১৪৩৩ বাংলা যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নগরকান্দা প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত, বাগেরহাট মোংলা ও সুন্দরবনে দুইদিন শালিখায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী ফুলবিঝুর মধ্যে দিয়ে মহালছড়িতে তিন দিন ব্যাপি বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসু’র আনুষ্ঠানিকতা শুরু

আশুলিয়ায় সেই ‘মাস্টারমাইন্ড’ ওসি সায়েদ গ্রেপ্তার

  • বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৪২৪ গননা করুন

একতা ডেস্ক: আশুলিয়ায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলি করে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার ‘মাস্টারমাইন্ড আশুলিয়া থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৩০ অক্টোবর, বুধবার রাতে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় আনা হয়। বর্তমানে তাকে শাহবাগ থানায় রাখা হয়েছে। আজ ৩১ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার তাকে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে বলে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।

উল্লেখ্য, ছাত্রজনতার আন্দোলনের মুখে এ বছরের ৫ আগস্ট পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। এর কিছুদিন পর প্রকাশ্যে আসে পুলিশের বর্বরতার একটি ভিডিও। এতে দেখা যায় একটি ড্যান পাড়িতে স্তূপ করে রাখা হয়েছে মরদেহ। সেখানে আরও একজনের মরদে তোলেন দুই ব্যক্তি। এ সময় তাদের পরনে পুলিশের ভেল্ট ও হেলমেট ছিল। জানা যায়, আগুলিয়া থানার সামনে থেকে এই ভিডিওটি ধারণ করা হয়। পরে সেই মরদেহগুলো আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

জানা যায়, বীভৎস ও নারকীয় ওই ঘটনার নির্দেশদাতা হিসেবে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়েছিলেন ওসি সায়েদ। ওই সময় তিনি ডিউটি করছিলেন সিভিল ড্রেসে। পরনে ছিল নীল রঙের পোলো শার্ট, কালো রঙের ট্রাউজার। এক হাতে ব্যান্ডেজ। ট্রাউজারের পকেটে ছিল ওয়‍্যারলেস সেট। প্রচণ্ড টেনশনে খেয়েছেন একের পর এক সিগারেট।

ঘটনাস্থলে থাকা পরিদর্শক, উপ-পরিদর্শক এবং কনস্টেবল পদের প্রত্যক্ষদর্শী ৪ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, মরদেহ ভ্যানে তোলার পূর্বপর ঘটনা জুড়ে যা কিছু ঘটেছে সকল কিছুর নেতৃত্বে ছিলেন আগুলিয়া থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদু। তার নির্দেশেই মরদেহ পড়ানোর জন্য পেট্রোল জোগাড় করেছিলেন আশুলিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরাফাত উদ্দিন ও আশুলিয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মনির। প্লাস্টিকের বোতলে করে আনা হয়েছিলো পেট্রোল। ৩ দফায় গাড়িটিতে ছিটানো হয় পেট্রোল।

তথ্যসূত্রঃ কালের কণ্ঠ

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews