একতা ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অধীনে ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি’ (ডিওজি) থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ইলন মাস্ক। ডিওজির’র প্রধান হিসেবে মাস্কের ভূমিকা ছিল সরকারি ব্যয় সংকোচন ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করা। মাস্ক এই পদে ‘স্পেশাল গভর্নমেন্ট এমপ্লয়ি’ হিসেবে নিযুক্ত থাকার কথা ছিলো ১৩০ দিন, যার মেয়াদ ৩০ মে পর্যন্ত। মাস্কের নেতৃত্বে ডিওজি প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, তবে মে মাস পর্যন্ত মাত্র ১৭৫ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয়ের প্রমাণ দিতে পেরেছে ডিওজি।
সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি বড় বাজেট বিলের সমালোচনা করে মাস্ক বলেন, এটি ডিওজি’র ব্যয় সংকোচন নীতির পরিপন্থী। এই সমালোচনার পরই তিনি ডিওজি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। মাস্কের এই পদত্যাগের পেছনে তার ব্যবসায়িক স্বার্থও ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডিওজির কার্যক্রমের কারণে তার কোম্পানি টেসলা রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়ে এবং বিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
এছাড়া, ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক কর বিল, যা আগামী দশকে ৩ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার ঘাটতি বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তা মাস্কের ব্যয় সংকোচন নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। মাস্ক তার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে বলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন এবং ডিওজি’র মিশন তার অনুপস্থিতিতেও চলবে। তিনি এখন নিজের কোম্পানিগুলো পরিচালনার ওপর মনোযোগ দিতে চান, যার মধ্যে রয়েছে ‘X, ‘Tesla’ এবং ‘SpaceXI
Leave a Reply