একতা ডেস্কঃ ঠাকুরগাঁও জেলায় গত দুইদিনে শিয়ালের কামড়ে আহত হয়েছেন ২১ নারী-পুরুষ। ঘটনার পর আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী। বন্যপ্রাণির এমন আক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সচেতনতামূলক সভা করেছেন স্থানীয় প্রশাসন। সদর উপজেলা রহিমানপুর, জামালপুর, ইউনিয়নসহ রাণীশংকৈল ও পীরগঞ্জ উপজেলায় শিয়ালের আক্রমণে ২১ জন আহতের ঘটনা ঘটেছে। রহিমানপুর ইউনিয়নে ১০ জন, জামালপুর ইউনিয়নে ২ জন, রাণীশংকৈল উপজেলায় ৭ জন ও পীরগঞ্জ উপজেলায় ২ জন আহত হয়েছেন। প্রতিদিন বিকেলের আগেই সব কাজ শেষ করে তারা ঘরে ফিরে যান আর রাতে বের হচ্ছেন না।
এ অবস্থায় আতঙ্ক রয়েছে সকলের মধ্যে। এদিকে বন্যপ্রাণির আক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় রহিমানপুর ইউনিয়নে সচেতনতামূলক সভা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাইরুল ইসলাম। রহিমানপুর ইউনিয়নের আবুল কালাম আজাদ বলেন, গত সোমবার রাতে বাড়ির আঙ্গিনায় বসে ছিলাম। হঠাৎ করে বাসায় একঝাক শেয়াল প্রবেশ করে আক্রমণ করে। এসময় পরিবারের লোকেরা এগিয়ে আসলে পালিয়ে যায় শেয়ালগুলো। শেয়ালের কামড়ে আমার হাতের মাংস উঠে গেছে। শিয়ালের কামড়ের শিকার নামজা, রেশমীসহ বেশ কয়েকজন বলেন, কিছুদিন থেকেই শিয়ালের আক্রমন বেড়ে চলছে। আমাদের জমিতে কাজ করতে গেলেও পিছন দিক থেকে এসে আক্রমণ করতেছে। বাড়ির ভেতরে এসেও আক্রমন করছে।
জেলা বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক নূরুন্নাহারকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, শেয়াল কামড়ের বিষয়ে যানেন না তিনি। সেই সাথে এই বিষয়ে বন বিভাগের কি পদক্ষেপ নেয়া দরকার তাও যানেন না তিনি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মেডিকেল টিম গঠন করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এর বাহিরে যদি কেউ আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করে তাহলে সেটি করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাইরুল ইসলাম বলেন, বিষয়গুলো আমি অবগত হওয়ার পরেই স্থানীয় চেয়ারম্যানদের সাথে কথা বলেছি। সেই সাথে সচেতনামূলক আলোচনা করেছি। তবে সকলকে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছি।

Leave a Reply