1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মধুমতীর বুকে বৈঠার লড়াই, দুই পাড়ে লাখো মানুষের উচ্ছ্বাস মহালছড়ি উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে মাইসছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত আংশিক কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন শালিখায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন! যুব ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ সালথায় চীনা যুবক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে করায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি মহালছড়িতে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ পালিত মহালছড়ির দুই কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয়! পাসের হার ১৬.৬১ ও ৪.৩৫ শতাংশ লংগদুতে আসন্ন শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আর্থিক সহায়তা প্রদান শালিখায় কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল রাড়িখালি একাদশ বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন সহযোগিতা বাড়াতে চায় ফিলিপাইন সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটিয়া সরাতে হবে শনিবারের মধ্যে, না হলে বরাদ্দ বাতিল

ঋতুপর্ণার বাড়ি নির্মাণে বাধা দেয়া নিয়ে যা বলছে প্রশাসন এবং ব্যবসায়ী সমিতি

  • বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫
  • ২৪০ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ সরকারী অনুদানে বাড়ি করতেও চাঁদা দিতে হবে। এমনটিই অভিযোগ উঠেছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে। দুইবার সাফজয়ী নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা রাঙ্গামাটিতে বাড়ি নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পাওয়ার দুই বছর পর শুরু হয় নির্মাণ কাজ। তবে এবার বাড়ি নির্মাণে তার কাছে দাবি করা হয়েছে চাঁদা। এ বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। ২০২২ সালে প্রথম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পর জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে বাড়ি ও বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণসহ অনেক কিছুই প্রতিশ্রুতি পান ঋতুপর্ণা। তবে সেইসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য কাজ শুরু হয়েছে ২০২৪ সালে দ্বিতীয় সাফ জেতার পর। বাড়ি নির্মাণের জন্য রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাউখালি উপজেলায় ঘাগড়া ইউনিয়নে ১২ শতক খাস জমি বরাদ্দ দেওয়া হয় তাকে।

ঋতুপর্ণা চাকমা অভিযোগ জানিয়েছেন, সম্প্রতি সেই বাড়ি নির্মাণ করতে গেলে আসছে বাধা, দাবি করা হচ্ছে চাঁদা ও ক্ষতিপূরণ। মূল অভিযোগ, বাড়ি নির্মাণের জন্য জেলা প্রশাসন ঋতুপর্ণাকে যে জায়গাটি বরাদ্দ দিয়েছে, সেই একই জায়গা বন্দোবস্তের জন্য আবেদন করেছে উপজাতি কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি। সমিতির সভাপতি সুভাস চাকমা বলছেন, জায়গাটি তাদের দখলে আছে, তবে ঋতুপণ্যার ঘর নির্মাণে কোন বাধা দেওয়া হয়নি। কেউ যদি সমিতির নাম বলে টাকা দাবি করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাসও দেন এই ব্যবসায়ী নেতা।

এসব অভিযোগ ঘিরে রয়েছে কাঠ ব্যবসায়ী অর্জুন মনি চাকমার নাম। তার দাবি, সমিতির ওই জায়গাটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য যে ৭ লাখ টাকা খরচ হয়েছিল, সেটিই দাবি করা হয়। জেলা প্রশাসক বলছেন, সরকারি খাস জমির মালিক সরকার, যার বন্দোবস্তও দিতে পারে সরকার। এটি দ্রুত সমাধানে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews