1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মধুমতীর বুকে বৈঠার লড়াই, দুই পাড়ে লাখো মানুষের উচ্ছ্বাস মহালছড়ি উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে মাইসছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত আংশিক কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন শালিখায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন! যুব ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ সালথায় চীনা যুবক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে করায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি মহালছড়িতে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ পালিত মহালছড়ির দুই কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয়! পাসের হার ১৬.৬১ ও ৪.৩৫ শতাংশ লংগদুতে আসন্ন শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আর্থিক সহায়তা প্রদান শালিখায় কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল রাড়িখালি একাদশ বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন সহযোগিতা বাড়াতে চায় ফিলিপাইন সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটিয়া সরাতে হবে শনিবারের মধ্যে, না হলে বরাদ্দ বাতিল

এস আলমের ৬ কারখানা বন্ধ বিক্ষোভে শ্রমিকরা

  • বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৯৯ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ একযোগে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এস আলম গ্রুপের ছয়টি শিল্প কারখানা। শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর এস আলম গ্রুপ ৭টি ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ হারায়। এবার তারা নিজ থেকে ৬ কারখানা বন্ধ করে দিল। ঘোষণা অনুযায়ী আজ বুধবার থেকে এসব কারখানায় সব ধরনের উৎপাদন বন্ধ। কারখানাগুলো হলো এস আলম রিফাইনড সুগার মিল, এস আলম পাওয়ার প্লান্ট, চেমন ইস্পাত, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিল ১ ও ২ নম্বর ইউনিট ও এস আলম স্টিল। কাঁচামালের ঘাটতি এবং ব্যাংকের অসহযোগিতার কারণে এলসি খুলতে না পারার কারণে এসব কারখানা বন্ধ করা হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এর মধ্যে এস আলম রিফাইনড সুগার থেকে প্রতিদিন ১২ শত টন চিনি উৎপাদন হতো যা দেশের চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করত।

গতকাল সকালে এস আলম গ্রুপের মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিনের স্বাক্ষরে এক নোটিশে প্রতিষ্ঠান দুটি বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। বন্ধ ঘোষণার পর এসব কারখানার কয়েক হাজার কর্মী তাৎক্ষণিকভাবে মইজ্জারটেক এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে বিকালে বিক্ষোভ করেন। পরে বকেয়া বেতন ও ওভারটাইম পরিশোধ করলে কর্মীরা চলে যান।

চট্টগ্রাম নগরীসংলগ্ন কর্ণফুলী নদীর তীরে কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ইছানগর এলাকায় এস আলম শিল্প গ্রুপের বেশিরভাগ কারখানার অবস্থান। এখানে প্রায় ১২ হাজার লোক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। বন্ধ হয়ে যাওয়া বেশিরভাগ শিল্প কারখানা ১৯৯৫ ও ১৯৯৬ সালে গড়ে ওঠা। তবে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ও এস আলম পাওয়ার প্লান্ট গড়ে ওঠে ২০০৭ সালে। জানা যায়, এর আগে এস আলম ভেজিটেবল অয়েল কারখানাটিও কাঁচামালের অভাব দেখিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজার আশীষ কুমার নাথ আমাদের সময়কে বলেন, আমরা ব্যাংকের কোনো সহযোগিতা পাচ্ছি না। টাকা দেওয়ার পরও এলসি খোলার অনুমতি পাচ্ছি না। কাঁচামাল যদি আমদানি করতে না পারি তাহলে কারখানাগুলো চলবে কী করে। তিনি আরও বলেন, কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হলেও কর্মীদের বেতনভাতা যথানিয়মে পরিশোধ করা হবে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews