একতা ডেস্কঃ জটিল রোগে ভুগছিলেন সাহেদুল ইসলাম। মা আঙ্গুরা বেগমও বয়সের ভারে শারীরিকভাবে ছিলেন অসুস্থ। তারপরও কয়েকদিন আগে তিনি ঝিনাইদহে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখানে রবিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে আঙ্গুরা বেগম মারা যান। এ খবর পৌঁছলে বাড়ির সকলেই ছিলেন শোকাহত। কিন্তু সাহেদুল অসুস্থ থাকায় তার মায়ের মৃত্যুর কথা পরিবারের কেউ তাকে জানায়নি। তারপরও বিছানায় শুয়ে শুয়ে তিনি চোখের পানি ফেলছিলেন। আর শরীরে অস্বস্তিবোধ করছিলেন। এক পর্যায়ে ভোরে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এদিকে মাত্র ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে মা ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
প্রতিবেশি ও এলাকাবাসী জানান, সুন্দরপুর দূর্গাপুর ইউনিয়নের ছোট ভাটপাড়া গ্রামের ছানার উদ্দিন মন্ডলের ৪ ছেলে ২ মেয়ে। শাহেদুল ইসলাম তাদের একজন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নার্ভের টিউমার রোগে ভুগছিলেন। মী আদুরা বেগম (৮৭) বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি ছোট মেয়ের বাড়িতে গিয়ে গত রাত ১টার দিকে মারা যান। এর ৩ ঘন্টা পরেই ছেলে সাহেদুলও মারা গেছেন। একই দিন মা ও ছেলের মৃত্যুর ঘটনার বিষয়টি খুবই বেদনাদায়ক। এ ঘটনায় পুরো গ্রামবাসী বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। সোমবার দুপুরে জানাজা শেষে ভাটপাড়ার পারিবারিক গোরস্থানে ছেলেকে ও কালীগঞ্জ পৌরসভাধীন নিশ্চিন্তপুরের স্বামীর পাশে আঙ্গুরা বেগমের মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

Leave a Reply