একতা ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, গণভবনে রান্না করে খাওয়ার ভাগ্যও হয়নি স্বৈরাচার শেখ হাসিনার। না খেয়ে বিমানে তাকে ভারতে পালিয়ে যেতে হয়েছে। সিরাজগঞ্জে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে শহীদ সুমন, লতিফ ও রশিদের স্মরণ সভায় শুক্রবার বিকেলে পৌর এলাকার গয়লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। তবে এখন তার পরিচিতির কোন কাগজপত্র নেই এবং তাকে কোন রাষ্ট্রও গ্রহণ করছে না। ছাত্র-জনতা আন্দোলনে তার নির্দেশেই ২ হাজার মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে এবং আহত হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। আবু সাঈদ বুক পেতে প্রতিবাদ জানালেও তাকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। স্বৈরাচার হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালে এদেশের মানুষ আন্দোলনে ঘর থেকে বের হতে পারেনি। তারপরেও বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরদ্ধে অসংখ্য মামলা দেয়া হয়েছে এবং নেতাদেরকে জেল জুলুমসহ নির্যাতন করা হয়েছে। তিনি বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা হাইকোর্টের আদেশও মানেনি এবং অন্য বেঞ্চে আদেশ পরিবর্তন করে আমাকে ৯ বছর সাজা দেয়া হয়েছিল। তার এ সাজা না খেটে বিদেশ পারি দিয়েছিলাম। আল্লাহর রহমতে এখন নিজ জেলা সিরাজগঞ্জে আসতে পারছি। স্বৈরাচার সরকারের দেখানো নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে কেউ যায়নি। তারপরেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং তাদের রাজত্বকালে উন্নয়নের নামে অবাধে দূর্ণিতী ও লুটপাট করা হয়েছে।
জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে এ স্মরণ সভায় অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাঈদুর রহমান বাচ্চু, বাচ্চু, সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান লেবু, আজিজুর রহমান দুলাল, নাজমুল হাসান তালুকদার রানা, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা মোস্তফা জামান, বিএনপি নেতা রাশিদুল হাসান রঞ্জন, নূর কায়েম সবুজ, সেলিম ভ’ইয়া, হারুনর রশীদ খান হাসান, লিয়াকত আলী, ভিপি শামিম, তাঁজ উদ্দিন প্রমুখ। এ সময় বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যসূত্রঃ আলোকিত বাংলাদেশ

Leave a Reply