1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে বৈসাবি মেলার সমাপনী দিনে জোন অধিনায়কের সম্প্রীতির বার্তা ও আর্থিক উপহার প্রদান মহালছড়িতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ (বৈশাখী) উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নগরকান্দা ও সালথায় বাংলা বর্ষ বরণ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের নববর্ষ বরণ মহালছড়িতে ঐতিহ্যবাহী মাতাই পুখরী তীর্থ মেলা ১৪৩৩ বাংলা যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নগরকান্দা প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত, বাগেরহাট মোংলা ও সুন্দরবনে দুইদিন শালিখায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী ফুলবিঝুর মধ্যে দিয়ে মহালছড়িতে তিন দিন ব্যাপি বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসু’র আনুষ্ঠানিকতা শুরু

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয়দাতা ছিলেন আওয়ামী গডফাদার আ জ ম নাছির

  • শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৫০ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ কেবল চট্টগ্রামই নয়, আশপাশের জেলায়ও তাঁর সমান দাপট। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের কোনো কমিটি তাঁর ইশারা ছাড়া হয়নি। বিভিন্ন কলেজ, ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ে তাঁর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে দাপিয়ে বেড়ায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা। ক্ষমতার দাপটে নিজেও বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যে ডালপালা মেলেছেন। তিনি হলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। বলা হয়, ফেনীর সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী তাঁর শিষ্য। ২০১৫ সালে মেয়র পদে নাছিরের একতরফা নির্বাচন সফল করতে এই শিষ্য চট্টগ্রামে মাস্তান পাঠিয়েছিলেন।

এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্ররাজনীতির বড় নিয়ন্ত্রক আশির দশকের ছাত্রলীগের নেতৃত্বদানকারী আ জ ম নাছির উদ্দীন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের ১১টি উপপক্ষের মধ্যে ৯টি তাঁর নিয়ন্ত্রণে। ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ, খুন, চাঁদাবাজি, হলের কক্ষ দখল, কর্মকর্তাদের মারধর, যৌন হয়রানি, ভাঙচুর ও শিক্ষক-ঠিকাদারদের হুমকির পেছনে ছিল নাছিরপন্থীদের আধিপত্য। শেষ পাঁচ বছরে ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে অন্তত ১৬৮ বার। এ ছাড়া সিআরবির জোড়া খুন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরী হত্যায় নাছিরপন্থীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল। তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতেন আ জ ম নাছির। বড় দলের শীর্ষ নেতা হলেও ছোটখাটো সংগঠনের পদও ছাড়তে রাজি ছিলেন না তিনি। দল পরিচালনা এবং তৃণমূল কমিটি গঠন নিয়ে দলের ভেতরেও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ রয়েছে। আবার মেয়র থাকাকালে প্রকৌশলীকে থাপ্পড় মারা, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তীদের বিরুদ্ধে ৫ শতাংশ ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ তুলে সমালোচনার জন্ম দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর আমলে আগাম ৩০ কোটি টাকা নিয়ে কাজ ফেলে ঠিকাদারের পলায়নের ঘটনাও ঘটে। সড়কবাতির কাজেও হয় অনিয়ম।

গত এক দশকের বেশি সময় ধরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ ছিল ছাত্রলীগের ১১টি উপপক্ষের হাতে। ছাত্রলীগের দুটি পক্ষের নিয়ন্ত্রণ ছিল সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর। বাকিগুলো নাছিরের নিয়ন্ত্রণে। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ক্যাম্পাস ছাড়েন ছাত্রলীগের এসব উপপক্ষের নেতা-কর্মীরা। ভিন্নমত দিলেই শিক্ষার্থীদের ডেকে নিয়ে নির্যাতন করা হতো। ১৬৮ বার মারামারির ছাড়াও নিয়োগে প্রভাব বিস্তার, উপাচার্যের কার্যালয় ভাঙচুর, শাটল ট্রেনের চালককে অপহরণের ঘটনাও ঘটেছে অন্তত ৪০ বার। অভিযোগ রয়েছে, আজ নাছির উদ্দীনের সুপারিশেই অছাত্র হয়েও কমিটিতে পদ পেতেন তাঁর অনুসারীরা। এর মধ্যে অন্যতম শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক রাজু মুলি। চট্টগ্রামের সিআরবির জোড়া খুন মামলার আসামি রাজু মুন্সি চাঁদাবাজি, মারামারি ও কখনো শিক্ষককে মারার হুমকির মাধ্যমে আলোচনায় থেকেছেন। এ ছাড়া এককভাবে আবাসিক হল নিয়ন্ত্রণ করেছেন আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সায়েদুল ইসলাম, শামসুজ্জামান সম্রাট, সহসভাপতি প্রদীপ চক্রবর্তী, মইনুল ইসলাম, আবু বক্কর তোহা আর নাট্য ও বিতর্কবিষয়ক সম্পাদক সাজ্জাদ আনম।

এ ছাড়া একই বছর চাঁদা না দেওয়ায় প্রধান প্রকৌশলীকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত রাজু মুন্সির বিচার দাবি করে কর্মবিরতি পালন করেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। একই বছর ৭ সেপ্টেম্বর চাঁদা না পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ভাঙচুরে ৩ কোটি ২৯ লাখ টাকার ক্ষতি হয় বলে জানায় প্রশাসন। এ ঘটনায় করা মামলায় ছাত্রলীগের ১২ নেতা-কর্মীর ছয়জনই ছিলেন নাছিরের অনুসারী।

৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের দুটি অংশের কাজ পেয়েছিল মেসার্স রানা বিল্ডার্স ও মেসার্স রানা বিল্ডার্স-ছালেহ আহম্মদ নামের দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রকল্প কাজের যাবতীয় কাজ করত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছালেহ আহম্মদ। এই প্রতিষ্ঠানের মালিক কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকির হোসেন।

তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews