1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ির ২টি বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন শেষে আর্থিক অনুদান ও গাছের চারা উপহার প্রদান করেছেন মহালছড়ি জোন অধিনায়ক মহালছড়ি ধুমনীঘাটে দুই শতাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করল মহালছড়ি সেনা জোন মহালছড়িতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা-২০২৬-২৭ (সিজন-২) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে চোংড়াছড়ি শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন জোন অধিনায়ক সংসদ ভবন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ সীমান্তের ওপার থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী জানা গেল এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের তারিখ আর্জেন্টিনার রেকর্ড ভাঙল ব্রাজিল, এক ম্যাচে ৫৩ জনকে লাল কার্ড নগরকান্দায় দুই ব্যবসায়ীকে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত মহালছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

ছন্দের কবি সুপর্না হালদার বিশ্বাসের একগুচ্ছ কবিতা পড়ুন

  • মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৩৯৫ গননা করুন

কবি পরিচিতিঃ সুপর্না হালদার বিশ্বাস, ভারতের বঙ্গ রাজ্যের নদীয়া জেলায় করিমপুর শহরের শিশা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন ১৯৯১ সালের ৩রা মার্চ। অতি সাধারণ পরিবার তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। ধোড়াদহ রজনী কান্ত হাই স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার আগেই কবি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যান। তারপর করিমপুর পান্নাদেবী কলেজ থেকে বিএ,ও নেতাজী ওপেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ পাশ করেন ইতিহাস নিয়ে। বিয়ের পর তার স্বামী তার পড়ার যাবতীয় ব্যয় বহন করে তাকে পড়িয়েছেন। তার স্বামী পরিমল বিশ্বাস একজন জুয়েলারী ব্যবসায়ী। বউয়ের লেখাপড়ার প্রতি ঝোঁক দেখে তাকে পড়াশোনা করিয়ে উচ্চ শিক্ষিতা হতে সহযোগিতা করেছেন। এজন্য কবি সুপর্না তার স্বামীর অবদানকে শিরোধার্য করে চলেন সর্বদা। তাছাড়া কবি সুপর্নার মেয়ের কবিতা লেখা দেখে স্বামী পরিমল বলেন যে মেয়ে পারছে, আর তুমি লিখতে পার না! এরপর থেকেই কবির কবিতা চর্চা শুরু। অন্য বিষয়ে এখনও লেখেন নি তিনি। তবে চেষ্টা আছে লেখার। কবি সুপর্না ছোটো থেকেই গান ভালোবাসেন। স্বামীর ইচ্ছাতে সে আশাও পূরন হয়েছে। মেয়েকে কবিতা করাতে করাতে কখন যে তিনিও কবিতাকে ভীষনভাবে ভালোবেসে ফেলেছেন, তিনি নিজেই বুঝতেই পারেননি। আবৃত্তি করতে ভীষণ ভালোবাসেন তিনি।

 

১। পাগলী মানে

 

পাগলী মানে অনেক আদর

কেবল দুষ্টুপনা মন

ভালোবাসায় হৃদয় কোণে

বাস করে যে জন।

পাগলী মানে মায়ের স্নেহ

বাবার আদুরে মেয়ে।

আহ্লাদে আটখানা হয়ে

যায় সকল দুঃখ সয়ে।

পাগলী মানে বাঁধনহারা

হৃদয়ে বাস করে

মনের মাঝে খুশিই খুশির

শুধুই আশা করে।

পাগলী মানে সুখ শান্তিতে

কেটে যাওয়া দিন।

অগাধ আদর ভালোবাসায়

বাড়িয়ে দেয় ঋণ।

পাগলী মানে সুখের ছোঁয়া

মুখে মধুর হাসি।

দুঃখ ব্যাথা ভুলে গিয়ে

বারবার কাছে আসি।

পাগলী মানে আপ্লুত মন

ভালোবাসা চাই রাখতে।

বুকে জমা ব্যাথার পাহাড়

খুশির আলোয় ঢাকতে।

 

২। মধুর ধ্বনি

 

কখন যেন অন্য মনে

দুর গগনে চাই

সুদূর থেকে কিসের যেন

ধ্বনি শুনতে পাই।

আহা কি সে মধুর ধ্বনি

মন চাই বারবার শুনি।

কত আবেগ ভরা সুর

কত মায়াভরা তার বাঁশি।

আচমকা শুনে সেই ধ্বনি

মুগ্ধ জগৎবাসী।

পশুপাখি জীব জগৎ

সবাই ওঠে মেতে।

গাভীগুলো খাওয়া ছেড়ে

শোনে কান পেতে।

এমন সুমিষ্ট ধ্বনি

কখনও শুনিনি আমি।

ভালোবাসা প্রেম দিয়ে গড়া

এই ধ্বনি ভীষণ দামী।

 

৩। সুখের খোঁজে

 

পৃথিবীতে আমরা সবাই

সুখের খোঁজ করি,

দুঃখটাকে দূরে ঠেলে

সুখকে আপন করি।

সুখ দুঃখ পরস্পরে

তারা পরিপূরক ভাই।

দুঃখের পরেই সুখ আসে

তা কি জানো সবাই।

ভগবানের সৃষ্টি এ দুনিয়ায়

আমরা সবাই ভগবানের দান।

আমরা কি কখনো তার

রাখতে পেরেছি মান!

আমরা শুধুই আমার

আমি’কে করতে সম্বল

ঈশ্বর ছাড়া আমাদের যে

নেই অন্য বল।

এটা মানতে আমরা

সদাই করি অস্বীকার।

জগতে সব কিছুতেই

তাঁরই অধিকার।

আমার আমার করেই

মরি মিছে সদাই

ভালোবাসা প্রেম ভুলে

দুঃখকে আপন করি তাই।

সব কিছু সপে দিয়ে

তাঁর চরণে তাই

মন প্রাণ ভক্তি দিয়ে

পূজা করে যাই।

সেই চরণে চিরশান্তি

বুঝবে যে যবে

প্রকৃত সুখের স্বাদ

সেই জন পাবে।

 

৪। গ্রামের পথের বাঁকে

 

গ্রামের পথের বাঁকে বাঁকে

সবুজ গাছের সারি

ভালোবাসায় ভরা থাকে

মাটির কুঁড়ে বাড়ি।

মাঠে মাঠে সবুজ শস্য

সোনালী ধানে মোড়া।

কি অসাধারণ দৃশ্য তা

মায়ার বন্ধনে জোড়া।

কৃষিভাই করে পরিশ্রম

সোনালী ফসল ফলে।

গরুর পাল নিয়ে রাখাল

মাঠে যায় দলে দলে।

পুকুরপাড়ে গ্রামের বধূ

কলসী নিয়ে কাঁখে।

ভিজে কাপড়ে ফিরছে ঘরে

রাঙা পথের বাঁকে।

হাঁসগুলো কাটছে সাঁতার

পুকুরের ঐ জলে।

একসাথে দল বেঁধে

যায় সকলে মিলে।

ফেরিওয়ালা হাঁক দেয়

গ্রামের পথে পথে,

গ্রামের বধূ ছেলেপুলে সব

সকলে গিয়ে জোটে।

যে যার মতো জিনিস কিনে

যায় সকলে ফিরে

ভালোবাসা মায়া জড়ানো

ছোট্ট সেই কুটীরে।

মাঠের মাঝে বটের তলায়

ক্লান্ত কৃষক ভাই

রোদ গরমে গাছের ছায়ায়

পরান জুড়ায় তাই।

গাছের ডালে পাখিরা সব

রচে শান্তির নীড়

অতিথিশালার রঙ্গমঞ্চে

জমে পথিকের ভীড়।

গ্রাম মানেই অপার শান্তি

মুক্ত খোলা হাওয়া।

ভালোবাসার সকল সুখ

এইখানে যায় পাওয়া।।

 

৫। মা সরস্বতী

 

শ্বেতবসনা পদ্মাসনা

মা সরস্বতী তুমি।

বিদ্যার দেবী মা মোদের

তোমারে মোরা নমীঃ।

বিদ্যা বুদ্ধি বিবেকেতে

কর মা তুমি বাস,

মোদের সফল স্বপ্ন গড়ার

দাও মা তুমি আশ।

সৎপথে চলার সাহস দিও

দাও মা তুমি শিক্ষা।

আশীষ মাগি মা চরনে তোমার

করি সুমতি ভিক্ষা।

বিদ্যা বুদ্ধিতে যেন মা মোদের

না থেকে যায় কমতি।

এ জীবনে চলার পথে

না করি মা ভ্রান্তি।

ভক্তি ভরে পূজি মা তোমায়

সারা জীবন ধরে।

নতজানু হই চরণে তোমার

রেখো মা হাত শিরে।

ভক্তি শ্রদ্ধা দিয়ে মাগো

যতনে রাখি তোমায়

তোমার আশীষ পাই যেন মা

জীবনের সর্বদাই।

সমাপ্ত

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews