একতা ডেস্ক: হেমন্তের বিদায়ের আগেই পঞ্চপড়ে দেখা দিয়েছে শীতের তীব্রতা। দিনের রোদের তাপ থাকলেও সন্ধ্যা নামতেই তৈরি হচ্ছে শীতের দাপাদাপি। রাতে কুয়াশা ঝরছে বৃষ্টির মতো। আজ সারাদিন পঞ্চগড়ের এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
বিস্তীর্ণ জনপদ ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল সকাল ৮ টা পর্যন্ত। এই সময়ে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে যানবাহনগুলোকে। শীতের তীব্রতা সহ্য করেই চলছে কৃষকসহ শ্রমজীবী মানুষদের কাজ কর্ম। তবে হেমন্তের এই শীত উপভোগের হলেও সামনের দিনে শীতের তীব্রতা বাড়লে তা নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
পঞ্চগড় শহরের রিকশাচালক আব্বাস আলী বলেন, গত কয়েকদিন ধরে শীতের পরিমাণ বেড়েছে। সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশা থাকছে। এই সময়ে খুব ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। পরম কাপড় ছাড়া বের হওয়া যাচ্ছে না।
স্কুল শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বলেন, এখনকার শীত দারুন উপভোগের। বিশেষ করে আমরা যারা প্রতিদিন সকালে প্রাতঃভ্রমণে বের হই তাদের জন্য খুব উপকারী। আমরা এই শীতের এই সময়টুকু দারুন উপভোগ করি।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, রবিবার এই মৌসুমে পঞ্চগড়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা বেড়েছে। নদী অববাহিকা এলাকাগুলোতে সামনের দিনেও কুয়াশা থাকবে।

Leave a Reply