1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের অন্তর্গত বাঘাইছড়ি উপজেলার ৫৭ জন রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ মহালছড়িতে অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত! সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী মাসালং এ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় ইউপিডিএফ এর বাধা! জনগণের কল্যাণে সবার সহযোগিতা কাম্য শালিখায় গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে কর্মশালা মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের কৃষি বিষয়ে আগ্রহ ও বজ্রপাত সচেতনতায় আলোচনা সভা নগরকান্দায় পুড়াপারা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির পদত্যাগ

পদ্মায় আওয়ামী জেলে সিন্ডিকেটে নৌকাপ্রতি চাঁদা দিতে হয় ৫০০ থেকে হাজার টাকা

  • রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২২৫ গননা করুন
প্রতীকী ছবি

একতা ডেস্ক: জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর বেশির ভাগ এলাকায় ক্ষমতার হাতবদল ঘটেছে। তবে পদ্মা নদীর কুষ্টিয়া অংশে দলটির নেতাদের জেলে সিন্ডিকেট এখনও সক্রিয়। নিষেধাজ্ঞার সময়ও ভয়ে নদীতে অভিযানে যেতে পারে না পুলিশ। যেসব পুলিশ সদস্য সাহস দেখান, তাদের চড়া মূল্য দিতে হয়। গত ২৮ অক্টোবর এমনই অভিযানে গেলে মেরে জেলেরা পানিতে ফেলে দেয় কুমারখালী থানার এএসআই মুকুল হোসেন ও সদরুল হাসানকে। পরে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জেলেদের হামলায় আহত হন এসআই নজরুল ইসলাম, কয়া ইউপির ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য সানোয়ার হোসেন ছলিম ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আনোয়ার হোসেন টিটন। আজ পদ্মায় ইলিশ ধরার ওপর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে। স্থানীয়রা জানান, ১৩ অক্টোবর থেকে নিষেধাজ্ঞা ছিল শুধুই কাগজ-কলমে। নদীর কুমারখালী অংশে দিনরাত চলেছে মা ইলিশ নিধন। কয়েকশ জেলে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। এসব জেলে সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতারা। তারা নৌকাপ্রতি ৫০০ থেকে ১ হাজার করে চাঁদা নেন।

স্থানীয় শিলাইদহ ও কয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পদ্মায় বালু উত্তোলন, মাছ ধরা ও জেলেদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ে সক্রিয় আওয়ামী লীগের দুটি পক্ষ। একপক্ষের নেতৃত্বে আছেন জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক স্বপন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত তুষার, করা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল খালেক, তাঁর দুই ছেলে- রিপন ও শিপন, কয়া ইউপির ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য সানোয়ার হোসেন ছলিম ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আনোয়ার হোসেন টিটন। তাদের মধ্যে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর স্বপন ও তুষার গা-ঢাকা দিলেও, বাকিরা নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন। অন্যপক্ষ সক্রিয় ইয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে। ইয়ারুল গ্রুণের জেলে নুর ইসলামের স্ত্রী পূর্ণিমা খাতুন বলেন, নদীতে নামলেই আওয়ামী লীগ নেতা খালেক, স্বপন, ছলিম ও টিটন মেম্বারের লোকজন চড়াও হয়। চাঁদা না দিলে নৌকা ডুবিয়ে দেয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জেলে জানান, ২৮ অক্টোবর পদ্মায় পুলিশের ওপর হামলা হয় আব্দুল খালেক ও তার দুই ছেলের নেতৃত্বে। তারা জেলেদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন চাঁদাবাজি করছেন। তবে আব্দুল খালেকের ছেলে রিপন জানান, তারা নন, নদীর সব অপকর্মে ইয়ারুল জড়িত। করা ইউপি সদস্য সানোয়ার হোসেন ছলিম বলেন, ইয়ারুল জেলেদের কাছ থেকে প্রতিরাতে নৌকাপ্রতি ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা চাঁদা নেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইয়ারুল সমকালকে বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা স্বপন ও তুষারের নেতৃত্বে পদ্মায় জেলেদের জিম্মি করে রাখা হয়েছে। মাছ, জাল ও নৌকা কেড়ে নেয়। নিয়মিত চাঁদা দিতে হয়।’

উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য অফিসার মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘পদ্মায় ব্যাপক সিন্ডিকেট রয়েছে। অভিযানে যাওয়ার আগেই জেলেরা খবর পেয়ে যান। সিন্ডিকেটের কাছে সবাই অসহায়।’

তথ্যসূত্র সমকাল

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews