একতা ডেস্কঃ যশোর শহরের মণিহার সিনেমা হল সংলগ্ন মনিরুদ্দিন পেট্রোল পাম্পের পাশে বাপ্পি হোসেন (২৬) নামে এক বাসের হেলপারের রক্তাক্ত মৃতদেহ বাসের মধ্যে পড়ে ছিল। বাপ্পি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শংকরপাশা গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে।
যাত্রীবাহি এ বাসটির নাম সরদার ট্রাভেল (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৯৭৯৮)। বসটির চালক এনামুল মৃধা জানান শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে বাসটি নিয়ে ঢাকা থেকে যশোরে এসে এখানে রাখেন। তারপর তিনি এবং তার সুপারভাইজার উজ্জ্বল বাসায় চলে যান। বাপ্পি গাড়িতে থাকে। পরদিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এসে গাড়ির ভেতরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় বাপ্পিকে। তার পাশে একটি চাকুও পড়ে ছিল।
কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) বাবুল আক্তার জানান, বাঞ্জির শরীরের একাধিক স্থানে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কী কারণে, কারা বানিকে হত্যা করেছে তা উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। বাসচালক এনামুল মৃধা ও সুপারভাইজার উজ্জ্বলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি থানার ওসি।

Leave a Reply