1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নগরকান্দায় স্কুল কমিটির পরিচিতি সভা ও বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড যারা নস্যাৎ করতে চায়, জনগণই তাদেরকে প্রতিহত করবে শালিখায় ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের সাথে নয়নুজ্জামান মুন্সীর মতবিনিময় সভা মহালছড়িতে মোবাইল কোর্টে মাদকাসক্ত ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড মহালছড়িতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়ি জোন কর্তৃক বাঙালি ও পাহাড়ি কৃষকদের মাঝে উচ্চ ফলনশীল ধানের বীজ বিতরণ মহালছড়িতে নূরে মদিনা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার উদ্বোধন, জোনের উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্প ও ত্রাণ বিতরণ খাগড়াছড়িতে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ মহালছড়িতে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত নগরকান্দায় ৯ বছরের শিশুর লাশ উদ্ধার

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান গাজাবাসীর প্রতি ইসরায়েলকে দয়া দেখাতে বললেন

  • শুক্রবার, ২৩ মে, ২০২৫
  • ১৮৩ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস গাজায় চলমান সংঘাতের মধ্যে ইসরায়েলকে ‘দয়া’ দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, নিজেদের স্বার্থেই ইসরায়েলের শান্তি প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। বৃহস্পতিবার ডব্লিউএইচও’র বার্ষিক অধিবেশনে তিনি এই আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, এই যুদ্ধ ইসরায়েলকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং এর কোনো স্থায়ী সমাধান আসবে না। ইথিওপিয়ায় যুদ্ধের মধ্যে বড় হওয়ার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তেদরোস বলেন, এ মুহূর্তে গাজার মানুষ কী অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তা আমি অনুভব করতে পারি। আমি সেটি টের পাই। আমি কল্পনা করতে পারি। এমনকি আমি সে শব্দও শুনতে পাই। আর এর কারণ হচ্ছে, আমার পিটিএসডি (পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার)। তিনি খাদ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা এবং চিকিৎসা সরঞ্জামকে অস্ত্র বানানোকে অন্যায় ও নিকৃষ্ট’ বলে অভিহিত করেন। তেদরোস বলেন, শুধু একটি রাজনৈতিক সমাধানই প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে। ইসরায়েলের নিজেদের স্বার্থেই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। আমি মনে করি, এ যুদ্ধ ইসরায়েলকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং এটি কোনো স্থায়ী সমাধান আনবে না। আমি আপনাদের কাছে দয়া দেখানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।

এটি আপনাদের জন্যও ভালো, ফিলিস্তিনিদের জন্যও ভালো, মানবতার জন্যও ভালো। ডব্লিউএইচও-র জরুরি বিভাগের পরিচালক মাইকেল রায়ান জানান, গাজায় ২১ লাখ মানুষ তাৎক্ষণিক মৃত্যুঝুঁকিতে আছেন। তিনি অনাহার বন্ধ, জিম্মিদের মুক্তি, স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুনর্বহাল এবং ত্রাণ সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। গত সপ্তাহে গাজার চারটি প্রধান হাসপাতাল সংঘাতপূর্ণ এলাকার কাছাকাছি হওয়ায় এবং হামলার শিকার হওয়ায় চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, গাজা উপত্যকার ৩৬টি হাসপাতালের মধ্যে বর্তমানে ১৯টি চালু আছে, যেখানে কর্মীরা ‘অসম্ভব কঠিন পরিবেশে’ কাজ করছেন। এখানকার প্রায় ৯৪ শতাংশ হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে, যার ফলে উত্তর গাজার বাসিন্দারা প্রায় সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews