একতা ডেস্ক: দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে গত এক সপ্তাহে ৯ চালানে ভারত থেকে ১ হাজার ৩০ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। গত বুধবার সর্বশেষ আমদানি হয়েছে ১০৫ মেট্রিক টন স্বর্ণা চাল। কাস্টমস ও বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ বৃহস্পতিবার সকালে বন্দর থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
আমদানিকারকরা জানান, চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার ভারত থেকে চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে বিনা শুল্কে সেদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে এ সব চাল আমদানি করতে হবে।
বেনাপোল স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ১৮ থেকে ২৭ নভেম্বর রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ৩৩টি ট্রাকে ভারত থেকে মোট ১ হাজার ৩০ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। সর্বশেষ যশোরের শার্শা উপজেলার চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান অর্ক ট্রেডিং ১০৫ মেট্রিক টন স্বর্ণা চাল আমদানি করেছে। যার প্রতি কেজি আমদানি মূল্য পড়েছে ৫১ টাকা। অন্যান্য খরচসহ প্রতি কেজির দাম পড়েছে ৫৩ টাকা।
অর্ক ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী মফিজুর রহমান বলেন, ‘৫৩ টাকা কেজি দরে চাল আমদানি করেছি। দেশীয় বাজারে নতুন আমন চাল বাজারে আসায় মোটা চাল ৪৮ টাকা থেকে ৪৯ টাকা কেজি দরে বেচাকেনা হচ্ছে। যে কারণে ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে ৫ হাজার টন চাল আমদানি করা সম্ভব হবে না।’
নাভারণ বাজারের সবচেয়ে বড় চালের আড়ত চৌধুরী রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী রাশেদ চৌধুরী বলেন, আজ হাইব্রিড মোটা চাল ৪৮ টাকা ও স্বর্ণা মোটা চাল ৪৯ টাকা কেজি দরে পাইকারিতে বিক্রি হয়েছে। নতুন ধানের চাল বাজারে আসতে শুরু করেছে। এখন থেকে চালের দাম কমতে থাকবে। যদিও এবার অতিবৃষ্টির কারণে চালের উৎপাদন কমেছে। সে কারণে চাল আমদানির প্রভাবও বাজারে থাকবে।’
এ বন্দরের ডেপুটি ডিরেক্টর সজিব নাজিব জানান, গতকাল রাতে ১০৫ টনের একটি চালের চালান বেনাপোল বন্দরের ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করেছে। কাস্টমস থেকে শুল্কায়নের পর কাগজপত্র দেখে দ্রুত খালাস দেওয়ার জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply