1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শালিখায় পাঁচ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারি ও বেহুন্দি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস নগরকান্দায় অসুস্থ সাংবাদিক বোরহান আনিস কে পররাষ্ট্র প্রতি মন্ত্রীর পক্ষ থেকে অর্থিক অনুদান প্রদান মহালছড়িতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত শালিখার সাবেক ওসি বিপ্লব ও এসআই ইসমাইল ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যা মামলায় জেলহাজতে মধুমতী নৌকা বাইচ মেলা এবার খাজনামুক্ত, প্রশংসায় নিতাই রায় চৌধুরী শালিখায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ৫৪ তম মৃতুবার্ষিকী স্মরণে ঝিনাইদহে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ভাস্কর্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন শালিখায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত শালিখায় ৭৪ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ শালিখায় জমি নিয়ে বিরোধ, বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ছোট ভাই খুন

ভারতীয় বাহিনীর হাতে মিয়ানমারের ১০ বিদ্রোহী নিহত

  • সোমবার, ২ জুন, ২০২৫
  • ১৭৩ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ মিয়ানমারের ১০ বিদ্রোহী নিহত হয়েছে ভারতীয় বাহিনীর হাতে। এতে দুই দেশের সীমান্তজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গত ১৪ মে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে মিয়ানমারের পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস (পিডিএফ)-এর একাংশ পা কা ফার (পিকেপি) ১০ সদস্য নিহত হন। এর মধ্যে তিনজন ছিল কিশোর। পিকেপি হলো মিয়ানমারের সরকার বিরোধীদের জাতীয় ঐক্য সরকারের (এনইউজি) অধীনস্থ বাহিনী। মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের তামু জেলার ভারত সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

২০২১ সালের সেনা অভ্যুত্থানে অপসারিত পার্লামেন্ট সদস্যদের নিয়ে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠিত হয়। এর মধ্যে আছেন শাস্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চি’র দল এলএনডির নেতারাও। পিকেপি মূলত সেই বেসামরিক মিলিশিয়া বাহিনীগুলোকে সহায়তা করে যারা সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং কার্যত এনইউজির সেনাবাহিনী হিসেবে কাজ করছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, ১৪ মে মণিপুর রাজ্যের চান্ডেল জেলার সীমান্ত পোস্টে টহলরত আসাম রাইফেলসের একটি ব্যাটালিয়ন যুদ্ধের মতো সরঞ্জাম’ বহনকারী ১০ ‘সন্দেহভাজন সন্ত্রাসবাদীকে গুলি করে হত্যা করে। তারা জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়।

মিয়ানমারে জাতীয় ঐক্যের সরকার দাবি করেছে, তাদের ক্যাডারদের ভারতীয় ভূখণ্ডে কোনও সংঘর্ষে’ হত্যা করা হয়নি বরং ধরে নির্যাতন করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে ভারতীয় সেনা’। চার বছর ধরে ভারতের সঙ্গে ১৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তে কার্যত দুটি পক্ষই একে অপরের বিষয়ে না জড়ানোর একটি নীরব সমঝোতা বজায় রেখেছিল। তবে তামু হত্যাকাণ্ডে সেই ভারসাম্য ভেঙে যায়।

তামু পিপলস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন টিমের সদস্য থিদা (ছদ্মনাম) বলেন, যোদ্ধারা আতঙ্কে আছেন। শরণার্থীরা আরও বেশি আতঙ্কে আছেন। তারা সবাই এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। গত বছর থেকে ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বসানো শুরু করেছে নয়াদিল্লি। এর আগে শতাব্দী ধরে এই সীমান্ত দিয়ে অবাধ যাতায়াত ছিল। এখন বেড়া বসানোর ফলে জাতিগোষ্ঠীগুলোকে আলাদা করে ফেলা হবে।

খিদা বলেন, ভারতকে প্রতিবেশী হিসেবে পেয়ে আমরা নিরাপদ মনে করতাম। কিন্তু এখন আমরা আতঙ্কিত। এটা একবার হয়েছে, আবারও হতে পারে। ১২ মে পিকেপির ১০ ক্যাডারের পুরনো ক্যাম্প মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হাতে পড়ে যাওয়ার পর তারা তামুতে নতুন ঘাঁটিতে চলে যায়। স্থানীয় দুই বাসিন্দা ও একজন এনইউজি কর্মকর্তা দাবি করেন, ভারতীয় সেনাকে এ বিষয়ে আগেই অবহিত করা হয়েছিল।

১২ মে আসাম রাইফেলস আমাদের নতুন ক্যাম্প পরিদর্শনে আসে। তাদের সব কিছু জানানো হয়েছিল। ১৪ মে ভারতীয় সেনা জানায়, তারা গোপন তথ্য পেয়ে অভিযানে নামে এবং গোলাগুলোতে ১০ জনকে হত্যা করে। পরে জানানো হয়, তারা ভারতীয় ভূখণ্ডে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজে নিয়োজিত সেনা বা শ্রমিকদের ওপর হামলার উদ্দেশ্যে স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি চালিয়েছিল।

থিদা বলেন, আমরা বারবার বলেছি, ভারত যেন আমাদের মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে। ততদিন সীমান্তে বেড়া নির্মাণ স্থগিত রাখা হোক। তিনি সবচেয়ে বেশি ব্যথিত লাশগুলোর দশা দেখে। মরদেহগুলোর ভিতরে পোকা ধরেছিল। যদি কিছু না-ও করে, ভারতীয় বাহিনীর অন্তত আমাদের মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা উচিত ছিল।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews