একতা ডেস্কঃ গণমাধ্যমের সামনে একজন মানুষকে কটুক্তি করতে হলেও দশবার ভেবে তারপর কথা বলে মানুষেরা। আর এখানে চলছে দুই দেশ নিয়ে বাকবিতণ্ডা। তারপরও উস্কানি দেয়া হচ্ছে কথার মধ্যে। পুলিশ তো তাকে ধরবেই।
ভারতের কর্ণাটকের সাবেক উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপির বহিষ্কৃত নেতা কে এস ঈশ্বরাপ্পা পড়েছেন ঠিক এই বিপদে। ৬ ডিসেম্বর, শুক্রবার কর্ণাটকের শিবমোগা জেলার কোটে থানা পুলিশ মামলাটি করেছে। বৃহস্পতিবার এক সমাবেশে তিনি বাংলাদেশ নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন।
বাংলাদেশে হিন্দুদের কথিত আটকের প্রতিবাদে সম্প্রতি ভারতের হিন্দু হিতরক্ষাণ সমিতি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বজরং দল আয়োজিত এক সমাবেশে ঈশ্বরাপ্পা ঘৃণামূলক ভাষণ দেন তিনি। পাশাপাশি তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনাও করেন। সেই বক্তৃতার একটি ভিডিও ফুটেজও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এরপরই তার নামে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ ওঠে। সমাবেশের পর কংগ্রেসশাসিত রাজ্য কর্ণাটকের শিবমোগা জেলার কোটে থানা পুলিশ শুক্রবার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এ মামলা দায়ের করে। গত ১৬ নভেম্বর এই নেতার বিরুদ্ধে মুসলমানদের হুমকি দেয়া ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে আরেকটি মামলা হয়। চলতি বছরের শুরুর দিকে শিবমোগা লোকসভা আসন থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করায় ঈশ্বরাপ্পাকে ছয় বছরের জন্য বহিষ্কার করে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি।
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে দেশটিতে হিন্দুদের ওপর কথিত হামলার বিষয়ে একের পর এক বিবৃতি দিয়ে আসছে ভারত সরকার। এ নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে অতিরঞ্জিত করে বিভিন্ন খবরও প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বলছে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে প্রচুর অপতথ্য বা ভুল তথ্য প্রচার করা হয়েছে।

Leave a Reply