একতা ডেস্কঃ যশোর শহরতলী দিয়ে প্রবাহিত ভৈরব নদের পাড়ের মাটি সরে যাওয়ায় সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা পশ্চিমপাড়ার একটি বাড়ির তিনটি ঘর ভেঙে পড়েছে। আরো দুটি ঘরে ফাটলসহ নদের দিকে হেলে পড়েছে। হুমকির মুখে রয়েছে কয়েকটি পরিবার। ওই এলাকাসহ তাঁতীপাড়ার পাঁচটি বাড়ির মাটি সরে গিয়ে হেলে পড়েছে। সেখানকার পরিবারগুলো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করছে। বুধবার সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বালিয়াডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা আকরাম হোসেন জানান, গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে তার বাড়ির পেছনে ভৈরব নদের পাড় থেকে শশ্মান পর্যন্ত রাস্তা করার জন্য একটি চক্র মাটি কাটে। মাটি কাটার তিনদিন পর বৃষ্টি হলে মাটি সরে গিয়ে তিনটি ঘর ভেঙে পড়ে যায়। একই সময় বাকি দুটি ঘরে ফাটল ধরাসহ হেলে পড়েছে। বাড়ির বাসিন্দা সুলতানা বেগম জানান, যে ঘর ভেঙে পড়েছে সেই ঘরে তার পরিবারের সদস্যরা ঘুমাচ্ছিলেন। প্রথমে জোরে শব্দ হয়ে বাথরুম ভেঙে পড়ে গেলে ঘর থেকে তারা বের হয়ে আসে। এর কিছুক্ষণ পর রান্না ঘর ও বসত ঘর ভেঙে পড়ে যায়। তাদের বসবাস করার জন্য অবশিষ্ট দুটি ঘর রয়েছে। সেই দুটি ঘরে বড় ধরনের ফাটল ধরাসহ হেলে পড়েছে। কোন উপায় না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে তারা বসবাস করছেন।
আকরাম হোসেনের পাশে মনু মিয়ার বাড়ির তিনটি রুমে ফাটল ধরেছে, নিচ থেকে মাটি সরে গেছে। একই এলাকার মুদি দোকানদার সাইফুল ইসলামের বাড়ির একটি মাটির ঘরের অর্ধেক, তার বাড়ির পাশে প্লাস্টিক কারখানার ঘরের অর্ধেক নদের ভেঙে পড়েছে বলে জানান। নীলগঞ্জ তাঁতীপাড়ার দুলাল পালের দুটি ঘরে ফাটল ধরাসহ হেলে পড়েছে। তিনি জানান আমার বাড়ির সীমানা থেকে দুই থেকে তিন হাত মাটি নদে ধ্বসে গেছে। এতে করে আমার ঘরে বড় ধরনের ফাটল ধরাসহ নদের দিকে হেলে পড়েছে। এ বিষয়ে সেখানকার বাসিন্দারা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জীর কাছে গিয়ে বিষয়টি তার নজরে এনেছেন। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানান, এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে যতটুকু সম্ভব পদক্ষেপ নেয়া হবে
তথ্যসূত্রঃ স্পন্দন

Leave a Reply