1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে সরকারি প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ মহালছড়িতে আশিকার উদ্যোগে খাদ্য, হাইজিন, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ বিতরণ মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণ চক্রান্তের প্রতিবাদে এবং ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল সংলগ্ন চত্ত্বরে প্রতিস্থাপনের দাবিতে আগামী ২৭ জুলাই সোমবার বিকেল ৪ টায় ঝিনাইদহে বিক্ষোভ সমাবেশ নগরকান্দায় ইন্তেকাল করলেন ইউপি চেয়ারম্যান মহালছড়ির ক্যায়াংঘাট ইউনিয়নে আশিকা ডেভলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েটেস এর মানবিক ত্রাণ সহায়তা বিতরণ মহালছড়িতে স্টার্ট ফান্ড বাংলাদেশ ও স্টার্ট নেটওয়ার্কের মানবিক সহায়তা প্রকল্প অবহিতিকরণ সভা অনুষ্ঠিত প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলের কিশোরীদের স্বাস্থ্য সচেতনতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ৪৭৭ জনকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, স্যানিটারি ন্যাপকিন ও গাছের চারা বিতরণ শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনে আশা হতাশা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় মহালছড়িতে বন্যাদুর্গত ৫০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

মরমী শিল্পী আব্বাসউদ্দীনের প্রয়াণ দিবস

  • সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২০০ গননা করুন
প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহমদ।
প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহমদ।

একতা ডেস্কঃ প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহমদ [১৯০১-১৯৫৯]। ১৯০১ সালের ২৭ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ মহকুমার বলরামপুরে তার জন্ম, মৃত্যু হয় ১৯৫৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর। তিনি স্বদেশি, আধুনিক, ইসলামি, পল্লীগীতি ও উর্দু গান সবই গেয়েছেন। কিন্তু পল্লীগীতিতেই তার মৌলিকতা ও সাফল্য সর্বাধিক।

আব্বাসউদ্দিন কোনো ওস্তাদের কাছে কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তালিম নিয়ে তিনি গান শেখেননি। শুরুতে ছিলেন পল্লীগাঁওয়ের একজন গায়ক। যাত্রা-নাটক ও স্কুল-কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান শুনে তিনি সংগীতের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং নিজ চেষ্টায় গান গাওয়া রপ্ত করেন। পরে কলকাতায় অল্প সময়ের জন্য তিনি ওস্তাদ জমিরুদ্দীন খাঁর কাছে উচ্চাঙ্গসংগীতে তালিম নেন। আব্বাসউদ্দীনের গান প্রথম রেকর্ড করে ১৯৩০ সালে হিজ মাস্টার্স ভয়েস; পরে মেগাফোন, টুইন, রিগ্যাল প্রভৃতি কোম্পানিও তার বহু গান রেকর্ড করে।

দেশভাগের পর ঢাকায় এসে তিনি সরকারের প্রচার দপ্তরে অ্যাডিশনাল সং অরগানাইজার হিসেবে চাকরি শুরু করেন। পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে ১৯৫৫ সালে ম্যানিলায় দক্ষিণপূর্ব এশীয় সংগীত সম্মেলন, ১৯৫৬ সালে জার্মানিতে আন্তর্জাতিক লোকসংগীত সম্মেলনে অংশ নেন। তাঁর গানের রেকর্ডগুলো এক অমর কীর্তি। ‘আমার শিল্পীজীবনের কথা’ (১৯৬০) তার রচিত একমাত্র গ্রন্থ। তিনি সংগীতে অবদানের জন্য মরণোত্তর প্রাইড অব পারফরমেন্স (১৯৬০), শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৭৯) এবং স্বাধীনতা পুরস্কারে (১৯৮১) ভূষিত হন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews