একতা ডেস্কঃ প্রেম ভালোবাসা যে ধর্ম মানে না তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ বলিউডের তারকারা। তাদের মধ্যেই বেশি দেখা যায় এমন ঘটনা। অনেক সেলিব্রিটি মুসলিম হয়েও বিয়ে করেছেন হিন্দু পরিবারে। এমন কয়েজন তারকাদের সম্পর্কে আপনাদের জানাবা, যারা মুসলিম হয়েও হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করেছেন সোহেল খান ও সীমা: সোহেল কান জনপ্রিয় একজন তারকা। তাকে নিয়ে আলাদা করে বলার কিছু নেই। অনেক বাধা পেরিয়ে সীমাকে বিয়ে করেন তিনি। পরিবারের অমত থাকায় তারা পালিয়ে ১৯৯৮ সালে বিয়ে করেন।
ইরফান খানের খ্যাতি বলিউড ও হলিউডে ছড়িয়ে আছে। সুতপার সঙ্গে পরিচয় হয় দিল্লির ন্যাশনাল ড্রামা অব স্কুলে। থেমে থাকেনি পরিচয়। পার করে দিয়েছিলেন এক যুগ। এখন তারা একে অন্যের সাথী। শুধু বলিউডে নয়, সাধারণ মানুষের কাছে একজন ভালো স্বামীর জলজ্যান্ত উদাহরণ শাহরুখ খান। ছোট বেলায় ভালোবেসেছিলেন হিন্দু মেয়ে গৌরীকে। সব বাধা উপেক্ষা করে তিনি বিয়ে করেছিলেন পছন্দের মেয়েটিকে। বর্তমানে তাদের ছেলে-মেয়ে সুখেই আছেন। বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আমির খান দুইবার হিন্দু মেয়ের প্রেমে পড়েছেন। এমন কী বিয়েও করেছেন অল্প বয়সে। রোহিনা দত্তের সঙ্গে বিয়ে বেশিদিন টিকেওনি। পরে বিয়ে করেন কিরণকে। এখন বিয়ে করে তারা সুখেই আছেন।
সুনীল শেটি এবং মানা শেটির লাভ স্টোরি খুব রোমাঞ্চকর। একটি পার্টিতে তাদের আলাপ হয়। কিন্তু তাদের প্রথম নজরেই একে অপরের প্রতি ভালোবাসা হয়নি। তবে তাদের অভিভাবকদের মন জয় করতে ৯ বছর লেগেছিল। বলিউডের খুব জনপ্রিয় অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ি অভিনেত্রী শাবানা রাজকে ২০০৩ সালে বিয়ে করেন। তারা কোনোদিন নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনকে ক্যামেরার সামনে আসতে দেননি। তারা একে অপরের সাথে পাঁচ বছর ধরে প্রেম করেন, কিন্তু তার খবর কেউ পারনি আপে। বলিউডের মিষ্টি অভিনেত্রী দিয়া মির্জা এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা সাহিল সংঘা অক্টোবর ২০১৪ সালে বিয়ে করেছিলেন। এমনিতেই সাহিল দিয়াকে ২০০৯ থেকেই জানত। কিন্তু ২০১৪ সালে তিনি দিয়াকে প্রপোজ করেন।
চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই আপনাদের তাই আগেই বলে দিই যে সঞ্জয়ের বর্তমান স্ত্রী মান্যতার আগের নাম দিলনাওয়াজ শেখ ছিল। সঞ্জয় দত্ত নিজের বাবার মতই একজন মুসলিম মেয়ের প্রেমে পড়েছিলেন। মান্যতা সঞ্জয়ের থেকে কুড়ি বছরের ছোট। ২০০৮ এ তারা একে অপরের সাথে বিবাহ বন্ধনে জরিত হন। ফারাহ আর শিরীষের প্রেমের গল্প তো মে হুনা চলাকালীন শুরু হয়েছিল। এরা একে অপরের সাথে প্রেম করছেন এই খবরটি কোনদিনই জানা যায়নি। কিন্তু সবাই তখন অবাক হয়ে গিয়েছিল যখন তারা নিজেদের বিয়ের ঘোষণা সবার সামনে করেন।
প্রযোজক পরিচালক-অভিনেতা অতুল অগ্নিহোত্রী এবং চলচ্চিত্র প্রযোজক, ফ্যাশন ডিজাইনার আলবিরার প্রেমের গল্প বন্ধুত্ব থেকেই শুরু হয়। এনাদের একে অপরের সাথে একটি গুটিংয়ের সময় আলাপ হয়। কথা বলতে বলতেই এনাদের মধ্যে প্রেম হয়ে যায়। পরে তারা একে অপরের সাথেই বিয়ে করেন। আপনাকে বলে রাখি যে আলবিরা সুপারস্টার সালমান খানের বোন। অভিনেতা কলনজিৎ সবুজ সিনেমা চলাকালীন বহীদা রহমানের প্রেমে পড়ে যান কিন্তু তখন বহীদা গুরু দত্ত কে ভালোবাসতেন। যাইহোক, সিনেমার ১০ বছর পূর্ণ হওয়ার পর তারা একে অপরের সাথে বিয়ে করেন। তারা সমাজের সত্যিই একটি দৃষ্টান্ত।
সিনেমায় অভিনয় করতে করতে একে অপরের প্রতি ভালোবাসার কথা তো অনেক শুনেছেন। কিন্তু ‘মাদার ইন্ডিয়া’র মতন সিনেমার মা এর রোলে নার্গিস এবং ছেলের রোলে সুনীল দত্ত অভিনয় করেছিলেন। আদিত্য পাঞ্চোলি বলিউডের এমন একজন ডিলেন যে নিজের ব্যক্তিগত জীবনেও অনেকবারই বিভিন্ন বিবাদে পড়েছেন। আদিত্য পাঞ্চোলি এবং জারিনার ভালোবাসা গুরু হয় ১৯৮৬ সালের ‘কালং কাছে টিকা নামের সিনেমা থেকে। তারা তাড়াতাড়ি বিয়ে করেও নেন।

Leave a Reply